যুক্তরাষ্ট্রে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগেই টিকটক অ্যাপটি বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানকার ব্যবহারকারীরা বলছেন, অ্যাপে একটি বার্তা দেখা যাচ্ছে যেখানে বলা হয়েছে- টিকটিককে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আইনটি কার্যকর হয়েছে।

স্ক্রিনে লেখা দেখাচ্ছে, ‘সরি টিকটক ইজ নট অ্যাভেইলেবল রাইট নাউ’। এতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা সৌভাগ্যবান যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন দায়িত্ব গ্রহণের পর টিকটক আবার চালুর সমস্যা সমাধানে তিনি আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন।’

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি সোমবার দায়িত্ব গ্রহণের পর টিকটককে ৯০ দিনের একটি সময় দিতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষ পরিষদ ‘হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস’ এ গত বছরের মার্চে টিকটক নিষিদ্ধ করার বিলটি পাস হয়। এরপর এপ্রিলে বিতর্কিত বিলটি অনুমোদন করে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট।

তখন বলা হয়েছিল, এ আইনের আওতায় টিকটকের চীনা মালিক প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সকে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের শেয়ার আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিক্রি করে দিতে হবে।  তা না হলে যুক্তরাষ্ট্রে এই অ্যাপটি ব্লক করে দেওয়া হবে।

 

 

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ট কটক ট কটক

এছাড়াও পড়ুন:

ইউক্রেনে জেলেনস্কির বিকল্প নেতা খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র!

ইউক্রেনে শান্তিচুক্তির জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পদত্যাগ করা লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়ালৎস। তিনি বলেছেন, ‘ইউক্রেনের একজন নেতা প্রয়োজন, তিনি আমাদের সঙ্গে কাজ করতে পারবেন। তিনি শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন এবং এই যুদ্ধ থামাতে পারবেন।’ খবর- সিএনএন

গণমাধ্যমের সামনেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নজিরবিহীন বাগবিতণ্ডার পর এ কথা বললেন তিনি। বাগবিতণ্ডার এ ঘটনাটি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে বিশ্বজুড়ে। ওই ঘটনার পর ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে ঐতিহাসিক চুক্তি হওয়ার কথা ছিল, সেটিও বাতিল হয়ে যায়। আর এর পরই ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ কোন পথে, তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।

এই প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্যদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। শুক্রবারের ওই ঘটনায় সাবেক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের গড়া ওয়াশিংটন-কিয়েভ সম্পর্ক ভেঙে পড়েছে। এই প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্যদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। 

যদিও ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আবারও এক টেবিলে বসার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেছেন, ইউক্রেন ও রাশিয়া-দুই পক্ষই আলোচনায় না বসলে যুদ্ধ থামবে না। হোয়াইট হাউসে শুক্রবার ট্রাম্প-জেলেনস্কি বিতণ্ডার পর থেকে ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আর কথা হয়নি। যুদ্ধ থামানোর জন্য রাশিয়াকে আলোচনার টেবিলে আনতে হবে। তবে তাদের প্রতি বৈরী মনোভাব রাখলে, মস্কোকে আলোচনায় যুক্ত করা সম্ভব হবে না। কোনো চুক্তি করার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই মনোভাবই দেখিয়ে আসছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, সবকিছু আবার শুরু হতে পারে। আশা করি, তিনি (জেলেনস্কি) এটা বুঝতে পারবেন যে আমরা আসলে আরও হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর আগে, তাঁর দেশকে সাহায্যের চেষ্টা করছি।’
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ