ঘাটের চাঁদাবাজি বন্ধে কাজ করছে সরকার: নৌপরিবহন উপদেষ্টা
Published: 19th, January 2025 GMT
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘‘নৌপথের নিরাপত্তা ও ঘাটের চাঁদাবাজি বন্ধের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথ সচল রাখতে কাজ করছে সরকার।’’
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে ভোলার ইলিশাঘাট পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, উপদেষ্টার একান্ত সচিব মো.
নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, ‘‘দক্ষিণাঞ্চলের পণ্য পরিবহনে অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে নৌপথ। তাই নদীকে সচল রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং করা হবে। এছাড়া যাত্রী হয়রানি ও ঘাটে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে ইজারা বাতিল করে দেওয়া হবে।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘ভোলায় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ৫টি আধুনিক মানের লঞ্চঘাট ও ল্যান্ডিং স্টেশন করা হবে। যাত্রীরা এসব ঘাটে সর্বাধিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।’’
ঢাকা/আদিল/রাজীব
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘জিহাদের’ আহ্বান জানিয়ে কয়েক মুসলিম ধর্মীয় নেতার ‘ফতোয়া’ জারি
বিশ্বের সব মুসলিম ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ করার আহ্বান জানিয়ে একটি বিরল ধর্মীয় ফরমান বা ‘ফতোয়া’ জারি করেছেন বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট মুসলিম পণ্ডিত। অবরুদ্ধ গাজার বাসিন্দাদের ওপর ১৭ মাস ধরে চলা নৃশংস ও নির্বিচার ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় গতকাল তাঁরা এ ফতোয়া জারি করেন।
ইউসুফ আল-কারযাভীর নেতৃত্বে গঠিত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব মুসলিম স্কলারসের (আইইউএমএস) মহাসচিব আলী আল-কারদাঘি গতকাল সব মুসলিম দেশকে ‘এই গণহত্যা এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধে অবিলম্বে সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে হস্তক্ষেপ করার’ আহ্বান জানিয়েছেন।
১৫ দফা–সংবলিত ওই ফরমানে আলী আর কারদাঘি বলেন, ‘গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধে আরব ও ইসলামিক সরকারগুলো ব্যর্থ হলে তা ইসলামিক আইন অনুযায়ী আমাদের নিপীড়িত ফিলিস্তিনি ভাইদের বিরুদ্ধে বড় অপরাধ বলে গণ্য হবে।’
কারদাঘি মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে সম্মানিত ধর্মীয় নেতাদের একজন। তাঁর ফরমান বা ফতোয়াগুলো বিশ্বের ১৭০ কোটি সুন্নি মুসলমানের কাছে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব বহন করে।
‘ফতোয়া’ হলো ইসলামিক আইনি আদেশ। সাধারণত কোরআন ও হাদিসের আলোকে একজন ধর্মীয় নেতা এ আদেশ জারি করেন। তবে এটি মেনে চলা বাধ্যতামূলক নয়।
কারদাঘি বলেন, ‘গাজার মুসলমানদের নির্মূলে কাজ করা কাফের শত্রুকে [ইসরায়েল] সমর্থন করা নিষিদ্ধ, তা সে যে ধরনের সমর্থনই হোক না কেন।’ তিনি আরও বলেন, এদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করা অথবা স্থল, জল বা আকাশপথে সুয়েজ খাল, বাব এল-মান্দেব ও হরমুজ প্রণালির মতো আন্তর্জাতিক জলসীমা বা বন্দরের মাধ্যমে তাদের পরিবহনকে সহায়তা করা নিষিদ্ধ।
এই ধর্মীয় নেতা বলেন, ‘গাজায় আমাদের ভাইদের সহায়তার লক্ষ্যে দখলদার শত্রুদের স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে অবরুদ্ধ করার দাবি জানিয়ে কমিটি (আইইউএমএস) একটি ফতোয়া জারি করেছে।’
কারদাঘির বিবৃতির প্রতি অন্য আরও ১৪ জন মুসলিম পণ্ডিত সমর্থন জানিয়েছেন। ওই বিবৃতিতে বিশ্বের সব মুসলিম দেশের প্রতি তাদের সঙ্গে ইসরায়েলের শান্তিচুক্তিগুলো পর্যালোচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিমদের প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তিনি আগ্রাসন বন্ধে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করেন।