নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মো. আব্দুর রহমান হৃদয় (২৩) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী পৌর ভূমি অফিসের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুর রহমান হৃদয় (২৩) পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপুর এলাকার সওদাগর বাড়ির মো.

সেলিমের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফার্নিচার মিস্ত্রি ছিলেন।

নিহতের ছোট ভাই মো. রিফাত অভিযোগ করে বলেন, ‘‘সম্প্রতি বড় ভাইয়ের বন্ধু আশিকের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা হাওলাত নেন চৌমুহনী পৌরসভার গোলাবাড়ি এলাকার বাবু (৩৫)। এরপর টাকা ফেরত চাইলে বাবু টালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে আশিক বিষয়টি বাবুর বড় ভাই রনিকে জানান। এতে বাবু ক্ষিপ্ত হয়ে আশিকের বন্ধু হোসেন ও সাগরকে তুলে নিয়ে আটকে রেখে মারধর করেন। বিষয়টি জানতে পারে বড় ভাই হৃদয় ও তার সমবয়সী কাকা রাসেলকে নিয়ে হোসেন ও সাগরকে উদ্ধারে যান। পথে বাবুর সঙ্গে তাদের দেখা হয়ে যায়। এ সময় কিছু বুঝে উঠার আগেই বাবু দুই জনকে ছুরিকাঘাত করেন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চৌমুহনী লাইফ কেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হৃদয়কে মৃত ঘোষণা করেন।’’

আরো পড়ুন:

আড়াইহাজারে নৌকার মাঝিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

সম্পত্তির লোভে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী‌কে হত্যার অ‌ভি‌যোগ

চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘‘মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। রাসেল নামের আরেক যুবক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছে। নিহতের পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

ঢাকা/সুজন/রাজীব

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

চলন্ত অটোরিকশায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৬

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় একটি চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অটোরিকশার যাত্রী নারী, শিশুসহ ছয়জন দগ্ধ হয়েছে। আজ বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার কন্ট্রাক্টর মসজিদ এলাকায় ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন সেলিনা বেগম (৩২), তাঁর ছেলে মো. শাহরিয়ার (১২), মেয়ে হৃদি (১৪), হৃদিকা (১৪ মাস), বোনের মেয়ে লামিয়া (১৪) ও বোনের ছেলে (৬)। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করে গুরুতর পাঁচজনকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দগ্ধ সেলিনা বেগমের দেবর তাহিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আজ বিকেল পাঁচটার দিকে তাঁর ভাবি নিজের এবং বোনের সন্তানদের নিয়ে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা নিয়ে চৌমুহনী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চাপরাশির বাড়ি থেকে কন্ট্রাক্টর মসজিদ এলাকায় বোনের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের অটোরিকশাটি কন্ট্রাক্টর মসজিদের পশ্চিমে পৌঁছালে হঠাৎ অটোরিকশার গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটে।

জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ নারী, শিশুসহ পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর তাঁদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের শরীরের ৫-৭ শতাংশ পুড়ে গেছে। সবাই আশঙ্কামুক্ত।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ঘটনার বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • চলন্ত অটোরিকশার সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬
  • নোয়াখালীতে অটোরিকশার সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচ শিশু আহত
  • চলন্ত অটোরিকশায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৬