মেয়েকে কোন মূল্যবোধে গড়ে তুলতে চান অভিষেক
Published: 18th, January 2025 GMT
বলিউডরে তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চনের বিচ্ছেদ নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে জল্পনার শেষ নেই। এর মাঝখানে কেমন রয়েছে তাদের একমাত্র কন্যা আরাধ্যা? কীভাবে তার দেখাশোনা করেন অভিভাবকেরা- এমন প্রশ্ন ওঠে বার বার।
আরাধ্যার বয়স মাত্র ১৩ বছর। গত এক বছরে বেশিরভাগ সময়ই কিশোরী আরাধ্যাকে দেখা গিয়েছে তার মায়ের সঙ্গে। একদিকে বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের নাতনি, অন্যদিকে প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরীর কন্যা- এ দুইয়ে মিলে আরাধ্যার উপর প্রত্যাশার চাপ একটু বেশিই। কীভাবে তাকে সমলান অভিভাবকেরা?
এবার সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুললেন বাবা অভিষেক বচ্চন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানান, তিনি যা শিখেছেন সবই তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে। সব সময় যে বলে বলে শেখানো হয়েছে তা নয় বরং তাদের জীবন থেকেই তিনি শিখেছেন। নিজের মেয়ের মধ্যেও সেই মূল্যবোধ গড়ে দিতে চান অভিনেতা।
তিনি বলেন, ‘আমি আসলে কে, এই খোঁজ করতে করতেই জীবন কেটে যায়। কিন্তু এই সময় কিছু মূল্যবোধ থাকা প্রয়োজন। আর যদি কেউ এই মূল্যবোধের জন্য আপনাকে মনে রাখে, এই মূল্যবোধ যদি আপনার পরিচিতি হয়ে ওঠে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার জীবন সফল। আমি এই শিক্ষায় বড় হয়েছি। আশা করি, আমিও আমার মেয়েকে এমন শিক্ষাই দিতে পারব।’
সব সময় অভিভাবকেরাই যে সেরা শিক্ষক হয়ে উঠবেন সেটাও মনে করেন না অভিষেক। তার কথায়, ‘আমি মনে করি না বাবা-মা সব সময় সেরা শিক্ষক হয়ে উঠবেন। সন্তানের ক্ষেত্রে আমাদের আবেগ অনেক সময়ই আমাদের ধ্যানধারণার দ্বারা প্রভাবিত হয়। আমার মনে হয় অভিভাবকেরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করে শিক্ষা দিতে পারেন।’
৮২ বছর বয়সেও সকাল ৭টায় শুটিং শুরু করেন অমিতাভ বচ্চন। সেই উদ্দীপনা থেকে নিজেকে বাবার জায়গায় দেখতে চান অভিষেক। সে কথা স্পষ্টই জানিয়ে অভিষেক জানান, বয়স যখন ৮২ হবে তখন তার মেয়েও যেন একইভাবে তাকে নিয়ে গর্ব বোধ করতে পারে। সূত্র: আনন্দবাজার।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: আর ধ য
এছাড়াও পড়ুন:
মাদারীপুরে চালককে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই, ‘পালানোর সময়’ যুবক আটক
মাদারীপুরের শিবচরে এক ভ্যানচালককে গলা কেটে হত্যা করে যানটি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পালিয়ে যাওয়ার সময় ভ্যানে রক্ত দেখে স্থানীয় কয়েকজন সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের তালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম সাঈদ মোল্লা (৬৫)। তিনি শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে আটক ব্যক্তির নাম সৈকত ঢালী (৩৫)। তিনি পাঁচ্চর ইউনিয়নের কেরানিবাট এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত ১০টার দিকে তালতলা এলাকার রাস্তর পাশে সাঈদের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন কয়েকজন। এ সময় তাঁরা আশপাশের লোকজনকে খবর পাঠিয়ে ভ্যানটি খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে একটি ভ্যানে রক্ত দেখতে পেয়ে তাঁদের সন্দেহ হয়। স্থানীয় লোকজন ভ্যানসহ সৈকতকে আটক করেন। পরে তাঁরা সৈকতকে মরদেহর কাছে নিয়ে গিয়ে পিটুনি দেন।
খবর পেয়ে শিবচর থানার পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সৈকতকে পুলিশি হেফাজতে নেয়। একই সঙ্গে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ ব্যাপারী বলেন, এ ধরনের ঘটনায় এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চান তাঁরা।
লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে। ছিনতাই করা ভ্যান ও একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।