দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১২-১৬ জানুয়ারি) লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফাইন ফুডস লিমিটেডের শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি কমেছে। 

বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কম থাকায় কোম্পানিটির শেয়ার ডিএসইর সাপ্তাহিক দাম কমার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, বিদায়ী সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম কমেছে ১৮.

৬৬ শতাংশ। বিদায়ী সপ্তাহের আগের সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী মূল্য ছিল ২৫৪.৫০ টাকা। আর বিদায়ী সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী মূল্য দাঁড়িয়েছে ২০৭ টাকা। এর ফলে, কোম্পানিটির শেয়ারের ডিএসইর সাপ্তাহিক দাম কমার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম কমার শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- মিডল্যান্ড ব্যাংকের ১৮.৩৪ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ১১.৪৩ শতাংশ, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১০.৬৫ শতাংশ, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের ১০.২৩ শতাংশ, ইসলামিক ফাইন্যান্সের ১০.১৯ শতাংশ, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৯.৯২ শতাংশ, সিএপিএম আইবিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৯.৪৭ শতাংশ, ইউনিয়ন ব্যাংকের ৮.৩৩ শতাংশ এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ৮.১৬ শতাংশ শেয়ার দর কমেছে।

ঢাকা/এনটি/এনএইচ

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর স প ত হ ক দ ম কম র

এছাড়াও পড়ুন:

সহযোগিতা বাড়াতে চায় ৩ দেশের স্টক এক্সচেঞ্জ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার অংশ হিসেবে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের তিন প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জ। গত ২৭ মার্চ শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এবং পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ (পিএসএক্স)। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ডিএসই।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সমঝোতা স্মারক স্মাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান দিলশান উইরসেকারা এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অব পাকিস্তানের চেয়ারম্যান আকিফ সাইদ। ডিএসইর প্রতিনিধি দলে ছিলেন পরিচালক শাকিল রিজভী, মিনহাজ মান্নান ইমন, রিচার্ড ডি’ রোজারিও এবং কোম্পানি সচিব আসাদুর রহমান।
সমঝোতা স্মারকটিতে তিন দেশের স্টক এক্সচেঞ্জের ডিজিটাল রূপান্তরে যৌথ উদ্যোগ, নতুন আর্থিক পণ্য ও বাজার উন্নয়নে এক্সচেঞ্জগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়, বাজার তদারকি এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা কাঠামোর সমন্বয়, মানবসম্পদ উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ, ক্রস-এক্সচেঞ্জ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং নলেজ শেয়ারিং বিষয়ে সহযোগিতার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

ডিএসইর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সমঝোতা স্মারকের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো– এক দেশের কোম্পানিকে অন্য দেশের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত (ক্রস বর্ডার লিস্টিং) করা এবং দেশগুলোর বিনিয়োগকারীদের অন্য দেশের কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির পথ খোঁজা এবং এ লক্ষ্যে দেশ তিনটির স্টক ব্রোকারদের মধ্যে অংশীদারিত্ব এবং প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ বাড়ানো।

সমঝোতা স্মারক বিষয়ে ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, আকারে ছোট হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ছাড়া অন্য দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর প্রযুক্তিগত এবং প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এই স্টক এক্সচেঞ্জগুলো কাঙ্ক্ষিত সক্ষমতা অর্জন করতে পারছে না। সম্পদ ও অভিজ্ঞতার পারস্পরিক বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে স্টক এক্সচেঞ্জগুলো নিজ নিজ দেশে দক্ষ ও শক্তিশালী পুঁজিবাজার গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। একত্রে কাজ করে আর্থিক ইকোসিস্টেমে সমৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের সুযোগ উন্মুক্ত করা যাবে। বিনিয়োগকারী এবং অংশীদারদের জন্য যা সুফল বয়ে আনবে।

শ্রীলঙ্কা সফরকালে ডিএসইর চেয়ারম্যান একটি সেমিনারে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার এবং অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন পরবর্তী অভিজ্ঞতা, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন। পরে ডিএসইর প্রতিনিধিরা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অব পাকিস্তানের চেয়ারম্যান, কমিশনার, পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি সিস্টেমের সিইও ও সেন্ট্রাল কাউন্টার পার্টির সিইও এবং কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জের সিইও, সিআরও এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন। বৈঠকে ডিএসইর চেয়ারম্যান বর্তমান কার্যক্রম, আঞ্চলিক পণ্যের বাজার উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি নিজস্বভাবে তৈরি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • সহযোগিতা বাড়াতে চায় ৩ দেশের স্টক এক্সচেঞ্জ