টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় দিয়ে শুরু অনূর্ধ্ব-১৯ মেয়েদের
Published: 18th, January 2025 GMT
আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনেই শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশের মেয়ারা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল। সুমাইয়া আক্তারের দল ৪০ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছে।
মালয়েশিয়ার বাঙ্গিতে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের কাপ্তান সুমাইয়া। তার সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে নেপালকে ১৮.
জবাব দিতে নেমে শুরুর দিকে বপদে পড়লেও সাদিয়া ইসলাম ও সুমাইয়ার ব্যাটিং দৃঢ়তায় ১৩.২ বলেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল।
আরো পড়ুন:
বিশ্বকাপের সেরা একাদশে জ্যোতি
নারী বিশ্বকাপের নতুন চ্যাম্পিয়ন নিউ জিল্যান্ড
বিস্তারিত আসছে......
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত সঞ্চয় বা রিজার্ভ (বিপিএম ৬ অনুযায়ী) বেড়ে ২০ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। দেশে মার্চ মাসে প্রবাসীদের রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। যার কারণে রিজার্ভ বেড়েছে।
রবিবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ বৃদ্ধির এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রোস রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ঈদের আগে গত ২৮ দেশের মার্চ গ্রোস রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
দেশে মার্চ মাসে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ৩২৯ কোটি মার্কিন ডলার, দেশীয় মুদ্রার যার পরিমাণ ৪০ হাজার ৪৬৭কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসেবে)। একক মাস হিসেবে যা সর্বোচ্চ রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স। মার্চে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে তা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত ফেব্রুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ৭৬ লাখ ডলার।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রাখায় বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল ছিল। বিশেষ করে ডলারের দাম ১২০-১২৩ টাকায় ছিল। এ ছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রাখে। বিপরীত দিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকে। যা রিজার্ভ বাড়ায় সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
ঢাকা/এনএফ/এনএইচ