Samakal:
2025-04-04@11:49:10 GMT

দাবানল নিয়ে শঙ্কা রয়েই গেছে

Published: 18th, January 2025 GMT

দাবানল নিয়ে শঙ্কা রয়েই গেছে

ধ্বংসযজ্ঞের ১১তম দিনে এসে লস অ্যাঞ্জেলেসের দাবানল পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বাতাসের গতিবেগ কমতে থাকায় ও দমকলকর্মীদের অব্যাহত চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে এখনও জ্বলতে থাকা দাবানল। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস আবারও কপালে ভাঁজ ফেলছে ক্যালিফোর্নিয়াবাসীর।

আগামী সপ্তাহের শুরুতেই আরও এক দফা সান্তা আনা বাতাসের হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অফিস। বাসিন্দাদের আরও এক সপ্তাহ ঘরবাড়ি থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

দাবানলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে এখন পর্যন্ত ২৭-এ দাঁড়িয়েছে। দাবানলের সূত্রপাতের কারণ হিসেবে অ্যালকোহল, তামাক, আগ্নেয়াস্ত্রসহ সম্ভাব্য দেড় শতাধিক বিষয় নিয়ে তদন্তে নেমেছে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক ব্যুরো। 

দাবানলে এখনও জ্বলছে প্যালিসেডস, ইটন ও অটো ফায়ার। ইটন ফায়ারের প্রভাবে পার্শ্ববর্তী পাসাডেনা শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। আলজাজিরা।
 

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: আহত তিনজনের অবস্থা গুরুতর

দুর্ঘটনায় প্রাণে বাঁচলেও ঝুঁকিমুক্ত নন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত তিনজনের কেউই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে একজন শিশুও রয়েছে। বাকি দুইজনের মধ্যে একজন যুবক ও একজন তরুণী। 

বুধবার চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আঘাত পান তারা। ঘটনার পর উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় চমেক হাসপাতালে আনা হয় তাদের। 

পরে তাদের মধ্যে শিশু ও তরুণীকে হাসপাতালের ২৮ নম্বর নিউরো সার্জারি বিভাগে ও যুবককে ২৬ নম্বর অর্থপেডিক ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তবে দুপুরের পর যুবকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাকি দুইজনকে আইসিইউতে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। আহতদের মধ্যে তরুণীর এখনও জ্ঞান ফেরেনি। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন নারী, দুই জন শিশু ও পাঁচজন পুরুষ। 

হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল সমকালকে বলেন, ‘আহত তিনজনের অবস্থায় এখনও শঙ্কামুক্ত নয়। এরইমধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত যুবককে এভারকেয়ারে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি দুইজনের অবস্থাও ভালো নয়। তরুণীর এখনও জ্ঞান ফেরেনি। তার জ্ঞানের মাত্রার অবস্থা খুব খারাপ। ছোট শিশুটির পায়ের হাঁড়ও ভেঙেছে। তাই তাদেরকে হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত তাদের সেখানে নেওয়া হবে।’ 

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন সমকালকে বলেন, ‘চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বুধবার হাসপাতালে পাঁচজনকে আনা হয়। এরমধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। পরবর্তীতে বাকি তিনজনকে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে সব ধরণের প্রস্তুতি রেখেছি আমরা। এরইমধ্যে পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্সকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক।’ 

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ওয়ার্কচার্জের ২৪ কর্মীর চাকরি স্থায়ী হয়নি ২৭ বছরেও
  • ইইউর বাজারেও বাংলাদেশের রপ্তানিতে প্রভাব পড়বে
  • আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে প্রেমা-আরাধ্যা
  • ৩৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও জ্ঞান ফেরেনি প্রেমার
  • ভালো নেই আরাধ্য, নেওয়া হলো আইসিইউতে
  • ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকার কাঁচাবাজার
  • এপ্রিলজুড়ে মৃদু মাঝারি ও তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা 
  • মা-বাবা বেঁচে নেই এখনও জানে না আরাধ্যা 
  • লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনা: আহত তিনজনের অবস্থা গুরুতর
  • লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: আহত তিনজনের অবস্থা গুরুতর