যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠান আগামী সোমবার দেশটির ক্যাপিটাল হিলের কংগ্রেস ভবনের একটি অংশে অনুষ্ঠিত হবে। ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে এমনটি করা হচ্ছে বলে শুক্রবার ট্রাম্প নিজেই এই কথা জানিয়েছেন।

গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান খোলাস্থানে হয়ে থাকে। কিন্তু এবার ওয়াশিংটনে তীব্র ঠান্ডার পূর্বাভাস থাকায় তা বাইরে করা অনিরাপদ হবে। এ কারণে এবার তা কংগ্রেস ভবনের ভেতরে করা হবে।

ট্রাম্পে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল লিখেছেন, ‘দেশজুড়ে “আর্কটিক ব্লাস্ট” চলছে। এ কারণে অভিষেক অনুষ্ঠানের ভাষণ, প্রার্থনা এবং অন্যান্য বক্তৃতা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল রোটুন্ডায় করার নির্দেশ দিয়েছি।’

আর্কটিক ব্লাস্টের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২০ থেকে ৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত কমে যায়, বেড়ে যায় তুষারপাত। বাতাসেও পরিবর্তন আসে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ওয়াশিংটনসহ যুক্তরাষ্ট্রের নানা স্থানে আর্কটিক ব্লাস্ট শুরু হয়েছে।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

হঠাৎ খাবারের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে, মানসিক চাপ নয়তো?

উৎসবে আনন্দ করতে মানুষ পরিবারের সদস্যদের কাছে যায়। এই সময় পারিবারিক, সামাজিক সম্পর্ক আর দৃঢ় হয়। আবার এর উল্টোটাও ঘটে। একাধিক মানসিক চাপে হতাশ হয়ে মানুষ অধিক খাবার খাওয়া শুরু করে। বিশেষ করে ক্যালোরি বৃদ্ধি করে এমন খাবারগুলো তখন বেশি বেছে নেয়। মানসিক চাপ বাড়লে খাবার খাওয়ার প্রতি কেন আগ্রহ বাড়ে? এই বিষয়ে মনোবিদরা বলছেন, ‘‘মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মানুষ খাবারের সাহায্য নেয়। যার যে খাবারটা খেলে তৃপ্তি বোধ হয়, সে সেই খাবারই মানসিক চাপের মধ্যে বেশি খেতে থাকে। যাকে বলে ‘কমফোর্ট ফুড’। এই কমফোর্ট ফুড ক্ষণিকের জন্য স্ট্রেস থেকে মুক্তিও দেয়।’’

কেন এমন হয়? অধিক মানসিক চাপে শরীরের  কর্টিসল হরমোন নির্গত হয়। এই হরমোন উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দেয়। কিংবা যে খাবার খেলে মানুষ তৃপ্তি অনুভব করে, সেগুলোই বেশি করে খাবার ইচ্ছা জাগিয়ে তোলে। ‘কমফোর্ট ফুড’ তৃপ্তি আনে এবং ডোপামিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ায়। তাই স্ট্রেসের মধ্যে মুখরোচক খাবার খেলে একটু হলেও স্বস্তি মেলে। কিন্তু এটা সাময়িক।

ভারতীয় মনোবিদ ডা. সরখেল স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘‘কমফোর্ট ফুড খেয়ে স্ট্রেস থেকে সাময়িক রিলিফ মেলে। কিন্তু এটা কোনও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নয়। বরং এতে ওজন বাড়ে। আর ওবেসিটি অনেকের ক্ষেত্রে স্ট্রেসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’’

এই সমস্যা এড়াতে হলে প্রতিদিন শরীরচর্চা করুন। নিজেকে আলাদা করে সময় দিন। প্রার্থনা করতে পারেন। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন। শুনতে পারেন প্রিয় গান, প্রিয় কোনো সুর। আবার নিজের খুব প্রিয় কোনো স্থানে গিয়ে কিছু সময় থাকতে পারেন।

সুতরাং কোনো সম্পর্ককে অধিক গুরুত্ব দিতে গিয়ে নিজেকে গুরুত্বহীন করে তুলবেন না।

ঢাকা/লিপি

সম্পর্কিত নিবন্ধ