কালিয়াকৈরে সাবেক মন্ত্রীসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১
Published: 17th, January 2025 GMT
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকসহ ৩৮ জনের নামে মামলা হয়েছে। মামলায় আরো ৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে মতিউর রহমান নামে এক যুবক মামলাটি করেন। ওই মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
কালিয়াকৈর থানার ওসি রিয়াদ মাহমুদ বলেন, “একটি মামলা হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
আরো পড়ুন:
কুমিল্লার আ.
‘আমার কাছে বালির মূল্য বেশি, মানুষের কোনো মূল্য নাই’
গ্রেপ্তারকৃত হলেন- উপজেলার মৌচাক জামতালা এলাকার আকরাম আলীর ছেলে ও মৌচাক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছামান উদ্দিন (৬০)।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কালিয়াকৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুরাদ কবির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন সিকদার, কালিয়াকৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সরকার মোশারফ হোসেন, কালিয়াকৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সারোয়ার হোসেন শামিম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সেলিম আজাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, মৌচাক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সিকদার ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ বেলালী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম তুষার, মৌচাক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে মতিউর রহমানসহ দুই-তিন হাজার ছাত্র-জনতা সফিপুর বাজার থেকে মিছিল নিয়ে চন্দ্রার দিকে যাচ্ছিলেন। আনসার একাডেমির ৩ নম্বর গেটের সামনে পৌঁছালে আসামিদের সঙ্গে মিছিলকারীদের সংঘর্ষ শরু হয়। এসময় আওয়ামী লীগের নেতাদের নির্দেশে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করা হয়। আসামিদের ছোররা গুলিতে বাদী আহত হন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। অবস্থার উন্নতি না হলে, তাকে পঙ্গু হাসপাতাল থেকে কুর্মিটোলা জেরারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
ঢাকা/রেজাউল/মাসুদ
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর আওয় ম উপজ ল
এছাড়াও পড়ুন:
রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনে ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টা বানচালের অভিযোগ
ইউক্রেনে দ্রুত শান্তিচুক্তি চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ জন্য রাশিয়া ও ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমানতালে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে তাঁর প্রশাসন। কিন্তু রাশিয়া ট্রাম্প প্রশাসনের সব প্রচেষ্টাকে বানচাল করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউরোপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
আজ শুক্রবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে সামরিক জোট ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এক বৈঠক ইউরোপের প্রতিনিধিরা ওই মনোভাব ব্যক্ত করেন। তাঁরা মনে করেন শান্তিচুক্তিতে বাধ্য করতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠিন অবস্থান গ্রহণ করা উচিত ট্রাম্প প্রশাসনের। কারণ, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট শান্তিচুক্তির বিষয়ে আন্তরিক নন।
ব্রাসেলসের বৈঠক সম্পর্কে জানেন এমন কয়েকটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, পুতিনের মনোভাব নিয়ে সম্প্রতি সতর্ক হয়ে উঠেছে হোয়াইট হাউস। ট্রাম্প যদিও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে বলছেন, তিনি বিশ্বাস করেন পুতিন যুদ্ধ শেষ করতে চান।
মার্চ মাসে মস্কোকে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব দিয়েছিল ওয়াশিংটন। কিয়েভ এতে সম্মতি জানিয়েছিল। শর্ত সাপেক্ষে তাতে সম্মত হবে বলে জানালেও শেষ পর্যন্ত তা প্রত্যাখ্যান করেছিল মস্কো। তবে জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বন্ধের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছিল। কিন্তু পরে উভয় পক্ষ পরস্পরের বিরুদ্ধে তা লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে।
ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিতীয় দিনের বৈঠকের আগে আজ ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন নোয়েল ব্যারোট বলেন, মস্কো ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জবাব দিতে বাধ্য। তারা [যুক্তরাষ্ট্র] মধ্যস্থতা ও যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়েছে।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (বাঁয়ে) ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন