চট্টগ্রাম জহুর আহাম্মদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চলছে বিপিএল-এর চট্টগ্রাম পর্বের ম্যাচ। আজ শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ছুটির দিনেই ২০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার চট্টগ্রাম জহুর আহাম্মদ চৌধুরী ক্রিকেট স্টেডিয়াম। 

এদিন দুপুরের পর থেকেই স্টেডিয়ামের ভেতরে-বাইরে দর্শকদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। টিকিট যারা পেয়েছেন তাদের উপস্থিতিতে ভরে গেছে দর্শক গ্যালারি, আবার টিকিট না পেয়ে স্টেডিয়ামের বাইরেও ভিড় করছে অসংখ্য দর্শক। টিকিট কাটতে কাউন্টারেও দেখা গেছে দীর্ঘ সারি।

দুপুর দুইটায় মুখোমুখি হয় রাজশাহী ও সিলেট। ম্যাচ শুরু থেকেই দর্শকদের ভিড় বাড়তে থাকে স্টেডিয়ামের ভেতরে- বাইরে। ২০০ টাকা দামের টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে যাওয়ায় দর্শকদের ক্ষোভ দেখা গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রিকেটপ্রেমি দর্শকরা টিকিট না পেয়ে ক্ষুদ্ধ হন। স্টেডিয়ামের বাইরে তৃতীয় লিঙ্গের অনেককেই বেশি দামে টিকিট বিক্রি করতে দেখা গেছে। 

২০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সাগর পাড়ের জহুর আহাম্মদ চৌধুরী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিকেল ৫টা পর্যন্ত স্টেডিয়াম গ্যালারি পরিপূর্ণ হয়ে যায় দর্শকে। দিনের দ্বিতীয় খেলায় মুখোমুখি হবে চিটাগং কিংস ও রংপুর রাইডার্স।

ঢাকা/রেজাউল/এস

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

বাংলাদেশি ভেবে বিএসএফের গুলি, ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে এক ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার ভোরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোরকমন্ডল সীমান্তের ৯২৯ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের ৩ নম্বর সাব পিলারের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

কাঁটাতারের বেড়ার বাইরে ভারতের ভূখণ্ডে মরাকুটি (ভোরাম পয়োস্তি) এলাকায় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ দেখেন বাংলাদেশিরা। ৪ ঘণ্টা ধরে সেখানে পড়েছিল ভারতীয় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ। পরে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

নিহত যুবকের নাম জাহানুর আলম (২৪)। তিনি ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার গিদালদহ এলাকার মরাকুটি ভোরাম পয়োস্তি গ্রামের কবিদুল ইসলামের ছেলে।

সীমান্তবাসীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসাসহ গরু পারাপারে জড়িত ছিলেন তিনি।

সীমান্তে বসবাসকারী সায়েদ আলী ও হয়রত আলী জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে উভয় দেশের একদল চোরাকারবারী ওই সীমান্ত দিয়ে গাঁজা ও গরু নিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করে। এ সময় ভারতীয় ভারবান্দা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে ভারতীয় চোরাকারবারী জাহানুর গুলিবৃদ্ধ হয়। সেখানে পড়ে থাকা অবস্থায় অনেকবার চিৎকার করলেও সহযোগীরা তাকে উদ্ধার না করায় ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি। গুলির শব্দ পেয়ে বাকি চোরাকারবারীরা পালিয়ে যান।

এ দিকে নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবির পক্ষে গোরকমন্ডল ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফিরোজ এবং বিএসএফের পক্ষে ৩ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের অধীন ভারবান্দা গিদালদহ ক্যাম্পের কমান্ডার গিরিশ চন্দ্র নেতৃত্ব দেন। পতাকা বৈঠকের পর সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ।

এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, বিএসএফের কাছে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়- ভোরের দিকে একদল ভারতীয় নাগরিক টহলরত বিএসএফ পোস্টে হামলা চালায়। তখন আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে এক ভারতীয় হামলাকারী নিহত হয়। বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা বিজিবির কোনও সমৃক্ততা নেই। তারপরও সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ