মিজোরামে উদ্ধারকৃত অস্ত্রের সাথে ইউপিডিএফের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার
Published: 17th, January 2025 GMT
ভারতের মিজোরামে উদ্ধারকৃত অস্ত্রের সাথে ইউপিডিএফের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “মিজোরাম পুলিশের প্রেস বিবৃতির বরাত দিয়ে গতকাল (১৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ও ভারতের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে মিজোরামের মামিত জেলার পশ্চিম ফাইলেং থানাধীন সাইথাং গ্রামে একটি অস্ত্রের চালান জব্দের সংবাদ প্রকাশিত করেছে এবং জব্দকৃত অস্ত্রের চালানটি মায়ানমারের চিন ন্যাশন্যাল ফ্রন্ট (সিএনএফ) এবং ইউপিডিএফের মধ্যে লেনদেন হচ্ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আদৌ সত্য নয়।”
‘জব্দকৃত অস্ত্রের চালান কিংবা সিএনএফ-এর সাথে ইউপিডিএফের বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যে এলাকায় অস্ত্রের চালানটি জব্দ করা হয়েছে সেটি বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে এবং এই সীমান্ত অঞ্চলটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে জনসংহতি সমিতির সন্তু লারমা গ্রুপের
হাতে।”
অংগ্য মারমা বলেন, “অস্ত্রের আসল ক্রেতারা নিজেদের আড়াল করতে ও ইউপিডিএফের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে উক্ত জব্দকৃত অস্ত্রের চালানের সাথে ইউপিডিএফের নাম জড়িয়েছে।”
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ইউপিডিএফ একটি গণতান্ত্রিক সংগঠন। দেশের অন্যান্য গণতান্ত্রিক সংগঠনের মতোই ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকভাবে তার সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কাজেই অস্ত্রের চালানোর সাথে ইউপিডিএফের জড়িত থাকার কোনো প্রশ্নই উঠে না।”
প্রসঙ্গত, বুধবার (১৫ জানুয়ারি) ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামের বাংলাদেশ লাগোয়া একটি সীমান্ত জেলা থেকে বিশাল অস্ত্রের চালান জব্দ করেছে দেশটির পুলিশ। অস্ত্রের এই চোরাচালানে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও মিয়ানমারের চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ) জড়িত বলে দাবি করেছে মিজোরাম পুলিশ।
এ ঘটনায় পশ্চিম মিজোরামের মামিত জেলায় মিয়ানমারভিত্তিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী চীন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (সিএনএফ) নেতাসহ অন্তত পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পশ্চিম ফাইলেং থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঢাকা/শংকর/এস
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
তাইওয়ান ঘিরে দ্বিতীয় দিনের মতো সামরিক মহড়া চীনের
তাইওয়ানকে ঘিরে গতকাল বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো সামরিক মহড়া করে চীন। তাইওয়ান প্রণালিতে মহড়ার সময় ১০টি চীনা যুদ্ধজাহাজ অংশ নেয়।
প্রথমবারের মতো চীন এ মহড়ার কোড নাম দিয়েছে ‘স্ট্রেইট থান্ডার-২০২৪এ’। তারা বলেছে, দ্বীপটিতে অবরোধ করা এবং নির্ভুলভাবে আঘাত করার ক্ষমতা বাড়াতে মনোনিবেশ করা হয়েছে।
চীনের এ মহড়ার সমালোচনা করেছে তাইওয়ান।
গত মঙ্গলবার তাইওয়ানকে ঘিরে মহড়া শুরু করে চীন। এদিন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং তেকে ‘পরজীবী’ হিসেবে অভিহিত করেছে চীন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের এশিয়া সফরের আগে এবং লাইয়ের কথার জবাব দিতে এ মহড়া করে চীন। চীন তাঁর এ সফরের বিরোধিতা করে আসছে। স্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে আসছে চীন।
তবে তাইওয়ান বারবার এ দাবি অস্বীকার করেছে। গত বছর গণতান্ত্রিকভাবে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন লাই চিং তে। তবে চীন তাঁকে বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিহিত করে। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পরও চীনের দাবিকে অস্বীকার করেন।