উদ্যোক্তাদের জন্য বঙ্গ নিয়ে এলো চমৎকার খবর! প্রথম সিজনের অসাধারণ সফলতার পর শার্ক ট্যাঙ্ক বাংলাদেশ আবার ফিরে এসেছে সিজন ২ নিয়ে। এখন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

যদি আপনার কাছে একটি ব্যবসায়িক আইডিয়া থাকে অথবা এমন একটি ব্যবসা থাকে যা বৃদ্ধির জন্য সহায়তা প্রয়োজন, তাহলে এটি আপনার সুযোগ। বাংলাদেশে প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীদের—যাদের আমরা "শার্ক" বলে জানি- তাদের সামনে আপনার আইডিয়া উপস্থাপন করুন এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পেয়ে আপনার ব্যবসাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যান।

২০০১ সালে জাপানের নিপ্পন টিভিতে ‘মানি টাইগার্স’ নামে যাত্রা শুরু করার পর, এই ফর্ম্যাটটি বিশ্বব্যাপী এক অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।

এই ফর্ম্যাটটি পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশে তৈরি করা হয়, যেখানে উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসায়িক আইডিয়া উপস্থাপন করে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বিনিয়োগ পাওয়ার সুযোগ পান। নিপ্পন টিভির এই ফর্ম্যাটটি বিশ্বজুড়ে সনি পিকচার্স টেলিভিশন দ্বারা বিতরণ করা হয়।

রেকর্ড সৃষ্টিকারী প্রথম সিজন

শার্ক ট্যাঙ্ক বাংলাদেশের প্রথম সিজন উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। শার্ক ট্যাঙ্কে করা কিছু সফল বিনিয়োগ বর্তমানে সফলভাবে বিকশিত হচ্ছে, যা প্ল্যাটফর্মটির রূপান্তরমূলক প্রভাবকে প্রমাণ করছে। অসাধারণ এই সাফল্যের ফলে, সিজন ২-এর জন্য আরও বড় এবং উন্নত সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বুকশনারি তার ব্যবসা বাড়িয়েছে এবং অনলাইনে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। কুকোলি তার অফিসের পরিবেশ উন্নত করেছে এবং উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়েছে। ফেমিকেয়ার একটি নতুন ক্লিনিক চালু করেছে, যা একটি বড় অনুষ্ঠান দিয়ে উদ্‌বোধন করা হয়, যেখানে নামী সেলিব্রিটিরা উপস্থিত ছিলেন, এবং শার্ক ট্যাঙ্ক বিনিয়োগ ছাড়াও বাইরের অর্থায়ন পেয়েছে।

প্যারেন্টসকেয়ার তাদের সেবা বাড়িয়ে আরও বেশি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে। ডুবোটেক গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ করেছে এবং উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে, এছাড়া গেট এইড তার লন্ড্রি ও ভেন্ডিং মেশিন সেবা আরও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে দিয়েছে, যা তাদের উদ্ভাবনী ভাবনার জন্য প্রশংসিত হয়েছে।

টিউটর প্রোভাইডার এখন হোম টিউটর খোঁজার প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় করেছে, যার মাধ্যমে অভিবাবকদের একটি বড় সমস্যা সমাধান করছে এবং বেকারত্বও মোকাবেলা করছে। টং রিসোর্ট তাদের সেবা সম্প্রসারণ করেছে এবং বাড়তি চাহিদা মেটাতে আবাসন ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।

সওদা মিরপুরে নতুন একটি আউটলেট খুলেছে, শার্ক ট্যাঙ্কের বিনিয়োগ ব্যবহার করে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে, আর স্টিক-অন তাদের কার্যক্রমে নতুন টিম সদস্য নিয়োগ দিয়ে আরও বেড়ে চলেছে। এই সাফল্যগাথাগুলি দেখায়, শার্ক ট্যাঙ্ক বাংলাদেশ কীভাবে উদ্যোক্তা বিকাশে সহায়তা করছে এবং দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলছে।

এই শো’টি বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম দেয়, যেখানে তারা তাদের উদ্ভাবনী ধারণা এবং ব্যবসা অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীদের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন, এবং বিনিয়োগ ও পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ অর্জন করতে পারেন। আপনি বাংলাদেশে থাকুন বা অনাবাসিক উদ্যোক্তা হয়ে স্থানীয় বাজারে উদ্যোক্তা হতে চান, তবে এটি আপনার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ।

সিজন ২-এ কী আশা করা যায়

সিজন ২ শার্ক ট্যাঙ্ক বাংলাদেশে একটি রোমাঞ্চকর নতুন অধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। বঙ্গ, শোর প্রযোজকরা, বিভিন্ন খাতের স্থানীয় সফল ব্যবসায়ীদের একটি শক্তিশালী প্যানেল তৈরি করছে। শার্কদের পরিচয় পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে,তবে দর্শকরা একটি আকর্ষণীয় প্যানেল আশা করতে পারেন, যেখানে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নতুন এবং উদ্ভাবনী ব্যবসাগুলোর মূল্যায়ন করতে প্রস্তুত।

প্রশ্ন উঠছে যে সিজন ১ এর কিছু শার্ক কি ফিরে আসবেন, এবং কোনো নতুন সদস্য কি প্যানেলে যোগ হবে। একটি বিষয় নিশ্চিত, নতুন সিজন আরও বেশি শক্তিশালী হবে, যা উদ্যোক্তাদের দেশব্যাপী লক্ষ লক্ষ দর্শকদের সামনে নিজেদের পরিচিতি তৈরি করার এবং হয়তো জীবনের পরিবর্তনকারী একটি ডিল অর্জন করার সুযোগ দেবে।

শার্ক ট্যাঙ্ক বাংলাদেশ সিজন ২-এ কিভাবে আবেদন করবেন

শার্ক ট্যাঙ্ক বাংলাদেশে আবেদন করা খুবই সহজ, এবং আপনি সরাসরি https://apply.

bongobd.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আপনি মোবাইল অথবা ডেস্কটপ যেকোনো ডিভাইস ব্যবহার করেই আবেদন শুরু করতে পারবেনঃ

ধাপ ১: ওয়েবসাইটে যান

    অফিশিয়াল রেজিস্ট্রেশন পোর্টাল https://apply.bongobd.com তে গিয়ে, সেখানে আপনি https://apply.bongobd.com/shark-tank/ লিঙ্কে অথবা মেনুর উপরের ডান কোণে থাকা "Apply Now" বাটনে ক্লিক করে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন।

ধাপ ২: রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূর্ণ করুন

    শর্তাবলী ভালো করে পড়ুন এবং সম্মতি জানিয়ে প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য পূর্ণ করুন, যেমন আপনার ব্যক্তিগত তথ্য এবং কোম্পানির তথ্য। আপনার ব্যবসার আর্থিক প্রয়োজন, পারফরম্যান্স এবং কোনো প্রোটোটাইপ থাকলে তার ছবি বা প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য প্রদান করুন, যা আপনার আইডিয়াটি প্রদর্শন করতে সহায়তা করবে।

ধাপ ৩: সাবমিট করুন এবং মূল্যায়নের জন্য অপেক্ষা করুন

    আপনার ব্যবসার তথ্য সাবমিট করার পর, আমাদের টিম প্রক্রিয়া শুরু করবে। যদি আপনার আবেদন সফল হয়, তবে পরবর্তী ধাপে আপনাকে অডিশনের জন্য ডাকা হবে।

    আপনার ব্যবসার সব তথ্য সঠিক এবং পূর্ণভাবে প্রদান নিশ্চিত করুন, যাতে আবেদন প্রক্রিয়া সহজভাবে সম্পন্ন হয়। এছাড়া, আবেদন গ্রহণের সময়সীমা ৩০ দিন থাকবে, যা আবেদনগুলোর পরিমাণ এবং গুণগত মানের উপর নির্ভর করবে।

ধাপ ৪: অডিশনের জন্য প্রস্তুতি নিন

    যদি আপনার আবেদন নির্বাচিত হয়, আমাদের টিমের একজন সদস্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবেন অডিশনের জন্য। এটি আপনার ব্যবসা সম্পর্কে শক্তিশালী প্রভাব ফেলানোর এবং Sharks-দেরকে আপনার ব্যবসায় বিনিয়োগ করার জন্য বুঝানোর সুযোগ।

সহায়তার প্রয়োজন? যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে অথবা আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাহলে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন [email protected]।

আপনার সুযোগ হারাবেন না!

শার্ক ট্যাঙ্ক বাংলাদেশ সিজন ২, আপনার ব্যবসা বৃদ্ধি করার এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও প্রদর্শন পেতে একটি দুর্দান্ত সুযোগ। দেরি করবেন না-এখনই আবেদন করুন এবং শার্কদের সামনে আপনার ব্যবসায়িক ধারণা উপস্থাপন করার জন্য প্রস্তুত হন!

আপনি বঙ্গ-তে সিজন ১ এর সব পর্ব দেখতে পারেন এবং প্রথম সিজনের রোমাঞ্চকর মুহূর্তগুলি দেখে আপনি পরবর্তী সিজনের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন। এছাড়াও, নিয়মিত আপডেটের জন্য শার্ক ট্যাঙ্ক বাংলাদেশ-এর অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলোতে চোখ রাখুন।

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ আপন র ব যবস ব যবস য় ক র ব যবস য় র জন য প আপন র স স জন ২ র একট আরও ব আইড য়

এছাড়াও পড়ুন:

তিন জেলায় চার শিশু ধর্ষণের শিকার

রাজধানী ঢাকার দারুসসালাম ও মুগদা, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা এবং কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চার শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

দারুসসালামে ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা জানান, শাহআলী এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকে তাঁর মেয়ে (১৪)। সে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। সোমবার দুপুরে যুবক মেহেদী হাসান তার বোনের বাসায় বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে মেয়েটিকে সঙ্গে নিয়ে যায়। পরে কৌশলে তাকে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে।

বাসায় ফিরে মেয়েটি পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়। তখন তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিব উল হাসান বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ স্বীকার করেছে সে।

এদিকে মুগদার মানিকনগরে ধর্ষণের শিকার শিশুকে (১২) গতকাল বুধবার দুপুরে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।

মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাফায়েত মুকুল বলেন, গত ২৮ মার্চ ওই শিশুকে কৌশলে ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে সাগর। পরে মঙ্গলবার শিশুটির বাবা থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ সাগরকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ওই শিশুটির বাবা মুগদা থানায় মামলা করেছেন। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে এক শিশুকে (১০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত মো. দুলাল মিয়ার (৩০) বাড়ি ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুক্তাগাছা থানার ওসি মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

স্থানীয়রা জানায়, অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করায় মজিদকে মারধর করে জনতা। এ সময় মজিদের বাড়ি ও তার ভাই আতিকের দোকান ভাঙচুর করে। মজিদকে ধরে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, নামা মহিষতারা গ্রামের মন্নেছ আলীর ছেলে মো. দুলাল ওই শিশুকে ঈদের দিন বিকেলে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যায়। এ সময় তার মেয়েকেও সঙ্গে নিয়ে যায়। নিজের মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে রেখে ওই শিশুকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যৌন নির্যাতন করে।

মঙ্গলবার সকালে ওই শিশুকে একটি ভ্যানে করে অসুস্থ অবস্থায় তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়। দুলাল তাকে ধর্ষণ করেছে বলে অসুস্থ শিশুটি তার পরিবারকে জানায়। এ সময় পরিবারের লোকজন দুলালকে ধরতে যায়। তাকে কৌশলে ভাগিয়ে দেয় স্থানীয় মজিদ। পরে পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

এ ছাড়া কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক ছেলে শিশুকে (৬) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই কিশোরের বিরুদ্ধে। গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় পৌর শহরের মেঘনা নদীর পার ডিপোঘাট মুশকিলা হাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গতকাল দুপুর ১২টায় শিশুটির পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন ভৈরব থানার ওসি খন্দকার ফুয়াদ রুহানী। অভিযুক্তদের বয়স কম হওয়ায় তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হলো না।

স্থানীয়রা জানান, শিশুটির বাবা একজন দিনমজুর। ঈদের দিন বাড়ির পাশে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দুই কিশোর তাকে আটকে একটি মসজিদের শৌচাগারে নিয়ে যায়। তার ওপর যৌন নির্যাতন করে। তার চিৎকারে দুই কিশোর পালিয়ে যায়। শিশুটি তার পরিবারের কাছে ঘটনা জানায়। তাকে পরদিন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধর বলেন, শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শিশুটির বাবা বলেন, ‘ছেলের রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। পরদিন আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। দুই অভিযুক্তের পরিবারকে ঘটনা জানালে তারা আমাদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। তারা এলাকার প্রভাবশালী। ঘটনার পর থেকে আমরা পরিবার নিয়ে আতঙ্কে রয়েছি।’

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা নিলুফা ও রাজিব মিয়া বলেন, অভিযুক্তদের ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারছে না।

অভিযুক্ত এক কিশোরের বাবা কারণ মিয়া বলেন, ‘আমার ছেলেকে শত্রুতা করে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমার ছেলে অপরাধ করেনি। যদি অপরাধ করে থাকে, তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’

ভৈরব থানার ওসি খন্দকার ফুয়াদ রুহানী বলেন, ‘ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সম্পর্কিত নিবন্ধ