Risingbd:
2025-04-06@10:40:23 GMT

ইমরান খানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

Published: 17th, January 2025 GMT

ইমরান খানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে দেওয়া হয়েছে সাত বছরের কারাদণ্ড। শুক্রবার ‘আল-কাদির বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প ট্রাস্ট’-দুর্নীতি মামলায় দেশটির একটি আদালত এই কারাদণ্ড দিয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অবৈধ সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে ইমরান ও বুশরা বাহরিয়া টাউন লিমিটেডের কাছ থেকে কোটি কোটি রুপি নিয়েছিলেন এবং ৫০ বিলিয়ন রুপি বৈধ করতে শত শত একর জমি কিনেছিলেন।

বিচারক নাসির জাভেদ রানা আদিয়ালা কারাগারের একটি অস্থায়ী আদালত কক্ষে রায় ঘোষণা করেন। আদালত ইমরান ও বুশরাকে যথাক্রমে ১০ লাখ এবং ৫ লাখ রুপি জরিমানাও করেছে। 

আদালত জানিয়েছে, জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে ইমরানকে অতিরিক্ত ছয় মাস এবং বুশরাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

বিচারক নাসির বলেছেন, “উভয় আসামিই আদালতে উপস্থিত আছেন, এই মামলায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হবে এবং দণ্ডিতদের সাজা ভোগ করার জন্য কমিটাল ওয়ারেন্ট সহ জেল সুপারিনটেনডেন্টের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে প্রায় ২০০টি মামলা রয়েছে। অবশ্য ইমরান দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা এসব মামলা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাকে ক্ষমতায় ফিরে আসা থেকে বিরত রাখার জন্যই এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঢাকা/শাহেদ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ইমর ন

এছাড়াও পড়ুন:

ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ দাবি শিক্ষার্থীদের

অতিদ্রুত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন শিক্ষার্থীরা। 

রবিবার (৬ এপ্রিল) উপাচার্য কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা ও প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদের কাছে শিক্ষার্থীরা এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, অভ্যুত্থানের প্রায় ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও আমাদের প্রাণের দাবি ডাকসু নির্বাচনের কোনো রূপরেখা আমরা আজো পাইনি। ডাকসুর রূপরেখার দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দোলন করে আসছি। অতান্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে এক ধরনের ভয়াবহ গড়িমসি আমরা লক্ষ্য করছি।

আরো পড়ুন:

ঢাবিতে বর্ণাঢ্য ঈদ শোভাযাত্রা

৪৭ ও ৭১-কে পূর্ণতা দিয়েছে ২৪: বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ

তারা বলেন, গত জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চে ডাকসুর দাবিতে আমরা অনেকদিন ধারাবাহিক আন্দোলন করেছি। জানুয়ারির মাঝামাঝিতে আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য বলেছিলেন কয়েকদিনের মধ্যে ইনস্টিটিউশনাল ই-মেইলের মাধ্যমে ডাকসুর গঠনতন্ত্র এবং ডাকসু নির্বাচন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত গ্রহণ করবেন। কিন্তু সেটি গ্রহণ করতে প্রশাসনের ২ মাসের বেশি সময় লেগেছে। মার্চের শেষে এসে এ মতামত গ্রহণ করা হয়।

তারা আরো বলেন, আমরা গত আগস্টে শুনেছিলাম, ৩-৪ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করা হবে। অথচ ৮ মাস অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এখনো ডাকসু নির্বাচনের কোনো রোডম্যাপই আমরা পাইনি। যেখানে রাবি এবং জাবিতে ইতোমধ্যেই তাদের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের রূপরেখা ঘোষণা করেছে।

ডাকসুর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তারা বলেন, বাংলাদেশের এ স্বাধীনতাকে চিরস্থায়ী করতে, পতিত স্বৈরাচারের উত্থান রুখে দিতে, নব্য স্বৈরাচার প্রতিরোধ, দেশের মানুষের গণ অধিকার প্রতিষ্ঠা, স্থায়ীভাবে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ সম্মত ক্যাম্পাস বিনির্মাণ এবং লেজুরবৃত্তিক ভয়াবহ দলীয় ছাত্র রাজনীতির কড়াল গ্রাস থেকে ক্যাম্পাস নিরাপদ রাখতে ডাকসুর বিকল্প নেই।

আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়ে তারা বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা ডাকসু নির্বাচনের রূপরেখা চাই। আমরা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কখনো স্মারকলিপি, কখনো বিক্ষোভ মিছিল, কখনো প্রশাসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপের দাবি করেছিলাম। আজও সেই নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই স্মারকলিপি নিয়ে এসেছি।

আমাদের নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে কালবিলম্ব না করে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন। আমরা আন্দোলন করতে করতে ক্লান্ত, জুলাই অভ্যুত্থানে এত রক্ত ঝরার পরও কোনো যৌক্তিক দাবি আদায়ে বারবার আন্দোলন করার প্রয়োজন হওয়াটা দুঃখজনক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি আমাদের নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে ব্যর্থ হয় এবং ডাকসু নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি প্রদান করা অব্যাহত রাখে, তাহলে আমরা ডাকসুর দাবি আদায়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদের নেতৃত্বে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা/সৌরভ/মেহেদী

সম্পর্কিত নিবন্ধ