ঘন কুয়াশায় বন্ধ থাকার ৪ ঘণ্টা পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম নাসির মোহাম্মদ চৌধুরী জানান, ঘন কুয়াশায় ফেরির মার্কিং বাতির আলো অস্পষ্ট হয়ে আসায় রাত সাড়ে ৩ টা থেকে আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পরে কুয়াশার ঘনত্ব কেটে গেলে  ৯ টার দিকে আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়। এ নৌরুটে ৬ টি ফেরির মধ্যে ৪টি ফেরি চলাচল করছে। বাকি ২টি ফেরি মেরামত রয়েছে। 

এছাড়া ভোর সাড়ে ৫ টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে একই কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পরে কুয়াশার ঘনত্ব কেটে গেলে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়। এ নৌরুটে ১৭ টি ফেরির মধ্যে ১৫ টি ফেরি চলাচল করছে।

ঢাকা/চন্দন/টিপু 

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

সদরঘাটে আজও ঘরে ফেরা মানুষের ভিড় 

কাটেনি এখনও ঈদের আমেজ। ঈদের তৃতীয় দিনেও অনেকে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।  

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকেই ঢাকার সদরঘাটে ঘরে ফেরা মানুষের ভিড় দেখা গেছে। 

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা গেছে, প্রতিটি লঞ্চ ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী নিচ্ছে। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। 
 
দোয়েল পাখী-১০ এর যাত্রী আমানুর রহমান বলেন, “আমি ভোলা যাব। ঢাকায় আমার মুদি দোকান রয়েছে। পরিবার আগেই পাঠিয়ে দিয়েছি। আজ বাড়ি যাচ্ছি। আশা করি, আগামী সপ্তাহে ঢাকা ফিরব।”

দোয়েল পাখী -১০  ম্যানেজার মো. সাত্তার  বলেন, “আজকে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যাত্রী বেশি আছে। আমাদের ৮০টি কেবিনের মধ্যে ৭০টি কেবিন বুকিং হয়েছে। আমরা অতিরিক্ত কোনো ভাড়া নিচ্ছিনা।” 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিটিসি)  জানায়, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীর প্রায় ৩৫ শতাংশ নৌপথে যেতেন। এখন সেটি প্রায় ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। তখন ঢাকা থেকে ৪২টি নৌপথে ২২৫টির মতো লঞ্চ চলাচল করত। এখন প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৬৫টি লঞ্চ চলে বিভিন্ন পথে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা দিতে পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, নৌ-পুলিশ ও বিএনসিসিসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এবার ঈদের আগে বেশ কয়েকদিন ছুটি থাকায় যাত্রীরা ধীরে ধীরে ঢাকা ছাড়েন। আশা করছি, নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন যাত্রীরা।

এমভি অভিযান লঞ্চের মালিক হামজা লাল শেখ বলেন, “আজ (বৃহস্পতিবার) যাত্রীর চাপ মোটামুটি। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পর্যাপ্ত লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।” 

বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক মোবারক হোসেন বলেন, “নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের সেবা ও নিরাপত্তার জন্য বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা–কর্মচারীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দিনরাত কাজ করছেন। নির্ধারিত সময়ে পন্টুন থেকে লঞ্চ ছাড়ছে। এ ব্যাপারে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে।” 

ঢাকা/এএএম/ইভা 

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • সদরঘাটে আজও ঘরে ফেরা মানুষের ভিড়