Samakal:
2025-04-03@01:35:14 GMT

খেলায় মন নেই রাজশাহীর

Published: 17th, January 2025 GMT

খেলায় মন নেই রাজশাহীর

বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ বুধবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে এসে ব্যস্ত ছিলেন দুর্বার রাজশাহীর ক্রিকেটারদের বিদ্রোহ থেকে নিবৃত করতে। তিনি সাময়িকভাবে সফলও হয়েছেন। টাকা পাওয়ার আশ্বাসে গতকাল এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুশীলনও করেছেন ক্রিকেটাররা। যদিও তারা বুঝতে পারছিলেন, কোনো কিছুই প্রতিশ্রুতি মতো হওয়ার নয়। কারণ ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ভ্যালেন্টাইন গ্রুপের এমডি শফিক রহমান লাপাত্তা ছিলেন। ক্রিকেটারদের সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন তিনি। অথচ বুধবার সন্ধ্যার সভায় বিসিবি সভাপতি ফারুক রাজশাহীর ক্রিকেটারদের আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নগদ ২৫ শতাংশ টাকা দেওয়া হবে। চেক দেওয়া হবে আরও ২৫ শতাংশের। যে চেক ১৯ জানুয়ারি নগদায়ন করা যাবে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় ২৫ শতাংশ নগদ অর্থ প্রদান করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ফলে আজ ম্যাচ খেলতে নামছেন বিজয়রা। তবে খেলায় মন নেই কারোরই!

গতকাল দিনভর রাজশাহীর ক্রিকেটাররা শান্ত ছিলেন মূলত বিসিবি সভাপতি ফারুকের সম্মানে। কিন্তু বোর্ড সভাপতি সমাধান দিতে না পারলে ম্যাচ বয়কটের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশঙ্কা ছিল । এই সংকট থেকে পুরোপুরি উত্তরণ না হলে রাজশাহীর মালিকানা বিসিবি নিজেদের হাতে নিতে পারে বলে শোনা গেছে। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব নাজমুল আবেদীন ফাহিমের কাছে মেসেজে জানতে চাওয়া হয়েছিল মালিকানা বিসিবি নিচ্ছে কিনা। তিনি উত্তরে লিখেছেন– ‘এখনও বলার সময় হয়নি।’ ফাহিমের কথায় একটা বার্তা রয়েছে, ভ্যালেন্টাইন গ্রুপ এগিয়ে না এলে বিসিবি দেখবে। রাজশাহী দলের এমনটা হওয়ারই কথা ছিল। সপ্তম ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে তারা বিপিএলে এসেছে বিসিবি সভাপতির অনুরোধে। শেষমেশ খেলোয়াড়দের টাকা পরিশোধের দায়িত্ব বোর্ডকেই নিতে হতে পারে। যদিও রাত পৌনে ৯টায় দুর্বার রাজশাহীর মালিক শফিক রহমানকে টিম হোটেল রেডিসনে দেখা গেছে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী একজন।

শেষ পর্যন্ত টাকা পেলেও মন খুলে খেলতে পারবেন না রাজশাহীর ক্রিকেটাররা। অধিনায়ক বিজয় বলেন, ‘এভাবে খেলা যায় না। টাকা কখন পাব, সে নিশ্চয়তা নেই। ধরে নিলাম আজ (গতকাল) ৫০ শতাংশ টাকা দেবে। বাকি ৫০ শতাংশের কী হবে? টাকার চিন্তা করব না খেলব, বুঝতে পারছি না। আমি তো সিলেট থেকে ঢাকা ফিরে গিয়েছিলাম। সভাপতি স্যার বলাতে এখানে এসেছি।’ বিপিএলের অর্ধেক ম্যাচ হয়ে গেলেও বেশির ভাগ ফ্র্যাঞ্চাইজি ২৫ শতাংশের বেশি পরিশোধ করেনি। এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঢাকা ক্যাপিটাল। টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে, ৮ ম্যাচে একটি জিতলেও প্রথম কিস্তির ৫০ শতাংশ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ম্যাচ জিততে না পারলেও টাকা পেয়ে খুশি ক্রিকেটাররা। ফরচুন বরিশাল ও রংপুর রাইডার্সের সম্মানী নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন না ক্রিকেটাররা। কারণ ফরচুন সুজ ও বসুন্ধরা গ্রুপের টাকা দেওয়ার মতো সক্ষমতা রয়েছে। খুলনা টাইগার্সও ক্রিকেটারদের টাকা দেয়। তবে এবার এখন পর্যন্ত এই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোও ২৫ শতাংশে আটকে আছে। অথচ বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ দায়িত্ব নিয়ে বলেছিলেন, তারুণ্যের উৎসব একাদশ বিপিএলকে ভিন্নভাবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা হবে। কে জানত, এই তুলে ধরা নেতিবাচক হবে! মূলত ব্যাংক গ্যারান্টি না থাকায় টাকা পাওয়া নিয়ে এত অনিশ্চয়তা।
 

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ব প এল ব প এল

এছাড়াও পড়ুন:

ঈদের শাড়ি পরে রান্নার সময় আগুন লেগে গৃহবধূর মৃত্যু

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ঈদের দিন নতুন শাড়ি পরে রান্না করার সময় আগুন লেগে ঊর্মি আক্তার নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার সকালে আগুনে দগ্ধ হন ঊর্মি। ওইদিন রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

ঊর্মি (২৫) উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের খাসখামা গ্রামের দেয়াঙ আলী চৌধুরীবাড়ির নঈম উদ্দিন ওরফে বাঁচা মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন নতুন শাড়ি পরা অবস্থায় ঊর্মি রান্না করছিলেন। তখন অসাবধানতাবশত চুলা থেকে শাড়িতে আগুন ধরে যায়। এক পর্যায়ে তিনি রান্নাঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার করেন। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শাড়িতে আগুন লেগে গৃহবধূ ঊর্মির শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।

আনোয়ারা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৈয়্যবুর রহমান জানান, ওই গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ