সাভারে যুবক হত্যায় ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
Published: 17th, January 2025 GMT
সাভারে প্রায় ১২ বছর আগে জাহিদ হোসেন নামে এক যুবককে হত্যার দায়ে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার ঢাকার পঞ্চম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ইসরাত জাহান মুন্নি এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন– কাজী আহসান তাকবীর, কাজল ও লাল চান। তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে কাজলকে রায় ঘোষণার আগে আদালতে হাজির করা হয়। সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। অপর দুই আসামি পলাতক। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
জানা গেছে, আসামিদের সঙ্গে জাহিদের পূর্বশত্রুতা ছিল। এর জেরে ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই দুপুরে লাল চান তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হিজলাপাড়া এলাকায় কুপিয়ে জখম করে। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জাহিদের বাবা সাভার থানায় মামলা করেন।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
যাত্রাবাড়ীতে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা, পূর্বশত্রুতাকে কারণ বলছে পরিবার
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর বিবির বাগিচা এলাকায় কুপিয়ে মো. ইকবাল হোসেন (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ইকবাল হোসেনের পরিবার বলছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
আহত অবস্থায় ইকবালকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টায় তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় আহত জাহিদ হাসান রাজুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পথচারীরা ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, নিহত ইকবালের মৃতদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তির স্ত্রী কুলসুম বলেছেন, পূর্বশত্রুতার কারণেই রাতে বিবির বাগিচা এলাকায় ইকবালকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। এ অবস্থা দেখে মো. জাহিদ হাসান রাজু (৩০) নামে ভাঙারি দোকানের কর্মচারী এগিয়ে গেলে তাঁকেও গুলি করে আহত করে। পরে সংবাদ পেয়ে সেখান থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় ইকবালকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
নিহত ইকবালের স্বজনেরা জানান, পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার নারায়ণপাশা গ্রামের মৃত আবদুল বারেকের ছেলে ইকবাল। তিনি যাত্রাবাড়ীর বিবির বাগিচা এলাকায় থাকতেন।