সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘সতর্ক’ করল সরকার
Published: 16th, January 2025 GMT
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন স্ট্যাটাস ও ডকুমেন্ট শেয়ারের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘সতর্কতা’ অবলম্বনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী এর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
উপসচিব জামিলা শবনমের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে ইদানীং লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১১’ অনুযায়ী পরিহারযোগ্য বিভিন্ন বিষয়ে পোস্ট দিচ্ছেন বা বিভিন্ন ডকুমেন্টস শেয়ার করছেন এবং ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কিংবা সরকারকে বিব্রত করে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। যা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সার্ভিস রুলস পরিপন্থী ও অগ্রহণযোগ্য আচরণ।
এতে আরো বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে এ ধরনের কর্মকাণ্ড আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল। অনেকক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর এবং সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণের পর্যায়ভুক্ত অপরাধ। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ ধরনের বিভিন্ন ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হওয়ায় রেগুলেটরি মন্ত্রণালয় হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পত্র পাঠানো হয়েছে।
এই অবস্থায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাদের অধীন দপ্তর ও সংস্থাসহ সব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯’ এর সুষ্ঠু ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকতে নির্দেশনা প্রদানপূর্বক এ ধরনের প্রতিটি ব্যত্যয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯’ এবং ‘সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮’ অনুসারে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ এ উল্লিখিত নির্দেশিকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাপ্তরিক ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট তৈরি এবং এতে পরিহারযোগ্য বিষয়গুলোর উল্লেখ রয়েছে।
বিষয়গুলো হলো—
১.
২. জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী কোনোরকম তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৩. কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এমন বা ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি পরিপন্থী কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৪. জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সার্ভিস বা পেশাকে হেয় প্রতিপন্ন করে, এমন কোনো পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
৫. লিঙ্গবৈষম্য বা এ-সংক্রান্ত বিতর্কমূলক কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না।
৬. জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বিষয় লেখা, অডিও বা ভিডিও ইত্যাদি প্রকাশ বা শেয়ার করা যাবে না।
৭. ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।
৮. অন্য কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সম্বলিত কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ ছাড়াও, নির্দেশিকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ‘কন্টেন্ট’ ও ‘ফ্রেন্ড’ সিলেকশনে সকলকে সর্তকতা অবলম্বন এবং অপ্রয়োজনীয় ট্যাগ, রেফারেন্স বা শেয়ার করা পরিহারের কথা উল্লেখ রয়েছে। এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টের ক্ষতিকারক কন্টেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন। সে জন্য প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ রয়েছে।
ঢাকা/হাসান/এনএইচ
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব যবস থ এমন ক ন সরক র
এছাড়াও পড়ুন:
‘নতুন মেসি’দের কার কী হাল
একটা সময় লিওনেল মেসিকে ভাবা হতো ডিয়েগো ম্যারাডোনার উত্তরসূরি। মেসি তাঁর ফুটবলজাদু দিয়ে সেটা দারুণভাবে প্রমাণও করেছেন। এরপর শুরু উঠতি ফুটবলারদের ‘নতুন মেসি’ তকমা দেওয়া। গত দুই দশকে ‘নতুন মেসি’ তকমা পাওয়া এক ডজন ফুটবলারের পরিচয় হয় ফুটবলপ্রেমীদের সঙ্গে। কেউ খেলার ধরনে, কেউ দেহের গড়নে, আবার কেউ ফুটবলশৈলী দিয়ে ঝলক দেখিয়ে এই তকমা পেয়েছেন; কিন্তু এঁদের সবাই শুরুতে ঝলক দেখিয়ে কেমন যেন নিভে গেছেন! সেই নতুন মেসিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আটজনের কার কী হাল, সেটা জানিয়েছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস।
বোইয়ান কিরকিচ
স্পেনের লিনিওলা শহরে জন্ম বোইয়ান কিরকিচের। ১৯৯৯ সালে বার্সার যুব দলে নাম লিখিয়েই চমক দেখান। তাঁর ড্রিবলিংয়ে অনেকটাই মেসির ছাপ ছিল। সে সময় স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোয় তাঁকে নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছিল। বয়সভিত্তিক দলে গোলের পসরা সাজান তরুণ কিরকিচ। সেখান থেকে বার্সার মূল দলে দ্রুতই জায়গা করে নেন। সময়টা ২০০৭–০৮ মৌসুম। ১৭ বছর ১৯ দিনের কিরকিচ ওসাসুনার বিপক্ষে নেমেই ভাঙেন মেসির রেকর্ড। সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বার্সার জার্সিতে লা লিগায় অভিষেক হয় তাঁর। চারদিকে কিরকিচের নামডাক ছড়িয়ে পড়ে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলো কিরকিচকে নতুন মেসির তকমা দেয়। কিন্তু বেশি দিন তাঁর আলো দেখার সুযোগ পায়নি স্প্যানিশরা। ছন্দহীনতার কারণে ২০১১ সালে বার্সা ছেড়ে এএস রোমাতে যেতে হয়। সেখানেও স্থায়ী হননি। মিলান, আয়াক্স হয়ে বর্তমানে তাঁর ক্লাব জাপানের ভিসেল কোবে, চলে গেছেন পাদপ্রদীপের বাইরে।
হুয়ান আরেভালো
বাঁ পায়ের কারিকুরি আর বল নিয়ন্ত্রণে নিজের মুনশিয়ানার কারণে হুয়ান আরেভালোকে মেসির সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করেন খোদ প্যারাগুয়ের ফুটবল সমর্থকেরা। আক্রমণভাগে আলো ছড়ানো এই উইঙ্গারের সোনালি সময় ২০১১ সাল। তখন পর্তুগালের ক্লাব পোর্তোতে নাম লেখান। উইং থেকে গোলের সুযোগ তৈরি করতেই যেন বেশি পছন্দ করতেন তিনি। কিন্তু ঝড়ের বেগে আসা আরেভালো ধূমকেতুর মতোই হারিয়ে গেছেন। বুয়েনস এইরেসে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার প্যারাগুয়ের জার্সিতে খেলেছেন ১২ ম্যাচ; কিন্তু গোলের নাগাল পাওয়া হয়নি তাঁর। এর মধ্যে ক্লাব ক্যারিয়ারও হয়েছে অনেক লম্বা। কিন্তু কোথাও আর স্থায়ী হতে পারেননি। তাঁর বর্তমান ঠিকানা প্যারাগুয়ের ক্লাব সেরো পোর্তেনো।
দিয়েগো লাইনেজ
২০১৭ সালে তাঁকে নিয়ে তুমুল আলোচনা। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান সে বছর বিশ্বের ৬০ সেরা তরুণ ফুটবলারের একটা প্রতিবেদন ছাপায়। যেখানে জায়গা করে নেন লাইনেজ। এরপর ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত টানা তিন বছর ফুটবলবিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গোলডটকমের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের তালিকায়ও ছিলেন তিনি। বাঁ পায়ের দক্ষতার জন্য তাঁকে মেসির উত্তরসূরি ভাবেন অনেকেই। কিন্তু তিনিও বেশি দিন দ্যুতি ছড়াতে পারেননি। লা লিগার ক্লাব বেতিসে ২০২৩ পর্যন্ত খেলার পর বর্তমানে তাঁর ঠিকানা মেক্সিকান ক্লাব টাইগ্রেস। জাতীয় দলেও সেভাবে ধারাবাহিক নন মেক্সিকান ফরোয়ার্ড। বয়সভিত্তিক দল মাতিয়ে ২০১৮ সালে মেক্সিকোর জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া এই উইঙ্গারের গোল মাত্র তিনটি।
তাকেফুসা কুবো
২৩ বছর বয়সী তাকেফুসাকে এখনো জাপানি মেসি বলে ডাকেন অনেকে। ডান উইংয়ের পাশাপাশি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারা এই তরুণের শুরু আর বর্তমান মোটেও এক নয়। ২০১১ সালে বার্সার যুব দলে জায়গা পেয়েছিলেন কুবো। চার বছরের মতো সেখানে ছিলেন। তখনই মূলত তাঁর খেলার ধরণে মেসির সঙ্গে একটা মিল পাওয়া যায়। এতেই তিনি নাম পেয়ে যান জাপানি মেসি; কিন্তু সেই জাপানি মেসি নামের প্রতি সুবিচার করতে পারলে তো! সিনিয়র ক্যারিয়ারে রিয়াল মাদ্রিদ তাঁকে বড় আশা করে দলে টানলেও তাদের আশার গুড়ে বালি পড়ে। এরপর ধারে মধ্যেই পার করেছেন ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল। বর্তমানে রিয়াল সোসিয়েদাদে খেলা এই জাপানি ১২৭ ম্যাচে করেছেন মোটে ২৩ গোল।
জিওভানি দস সান্তোস
বাবা ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার জিজিনিও। যদিও মা মেক্সিকান হওয়ায় মেক্সিকোকে বেছে নেন ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য। বেশ প্রতিভাবান ফুটবলার ছিলেন জিওভানি দস সান্তোস। বিশেষ করে মাঝমাঠ থেকে ফরোয়ার্ডদের দারুণ সহযোগিতা করে সবার নজরে এসেছিলেন। পাশাপাশি ড্রিবলিংয়েও মুগ্ধতা ছড়িয়েছিলেন। ২০১০ সালে স্প্যানিশ সাপ্তাহিক ডন ব্যালনের সেরা ১০০ তরুণ ফুটবলারের তালিকায় জায়গা করে নেন। তাঁরও চমক দেখানো বার্সার যুব দল দিয়ে। সময়টা ২০০২ থেকে ২০০৬। এই বছরগুলোয় বার্সার যুবদলে ভালো ফুটবল খেলে বার্সার ‘বি’ দলে ডাক পেয়ে যান। এর পরই শুরু হয় তাঁকে নিয়ে আলোচনা। কেউ দস সান্তোসকে মেসির উত্তরসূরি, কেউ তাঁর মধ্যেই মেসির ছায়া খুঁজে পান। কিন্তু যাঁকে নিয়ে একটা সময় এত আলোচনা ছিল, তিনি এখন অনেকটাই নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন।
আলেন হালিলোভিচ
১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া এই ক্রোয়াট মিডফিল্ডারের নামের পাশে মেসির নামটা যুক্ত হয় ২০১৪ সালের দিকে। তখন দিনামো জাগরেভ ছেড়ে মাত্রই বার্সার ‘বি’ দলে যোগ দিয়েছেন। যদিও মূল দলে নিয়মিত হওয়ার সুযোগই হয়নি তাঁর। এরপর এসি মিলান, বার্মিংহাম সিটিসহ ১০টির বেশি ক্লাবে ঘুরেছেন। কিন্তু কোথাও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলেও বেশি দিন নিয়মিত হতে পারেননি। ২০১৩ সালে দেশের জার্সিতে মাঠে নামা এই মিডফিল্ডার এখন আর কোনো আলোচনায়ই নেই।
লি সিউং–উ
২০১১ সালে বার্সার যুব দলে জায়গা করে নেওয়া এই উইঙ্গারকে কিছুদিন মেসির সঙ্গে তুলনা করেন কাতালানরা। এর পেছনে বড় কারণ ছিল প্রতিপক্ষের গোলমুখে তাঁর ড্রিবলিংয়ের নজরকাড়া দক্ষতার কারণে। সেই দক্ষতার বলে ২০১৬ সালে বার্সার ‘বি’ দলেও জায়গা করে নেন। কিন্তু ‘বি’ দলে আর সেভাবে স্থায়ী হতে পারেননি। এক ম্যাচ খেলেই তাকে নতুন ঠিকানা হেল্লাস ভেরোনাতে নাম লেখাতে হয়। এর পরই মূলত হারিয়ে যাওয়া! দক্ষিণ কোরিয়ার বয়সভিত্তিক দলে খেলে ২০১৮ সালে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়িয়েছিলেন। কিন্তু পুরোনো সেই জৌলুস যে আর দেখাতে পারছেন না। বর্তমানে কোরিয়ান ক্লাব জিওনবুক হুন্ডাই মোটরসই তাঁর ঠিকানা।
লুয়ান ভিয়েরা
শুরুটা ব্রাজিলের ক্লাব তানাবি দিয়ে। আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলা এই ব্রাজিলিয়ান ২০১৪ সালেই প্রথম আলোচনায় আসেন। স্বদেশি ক্লাব গ্রেমিওতে নাম লেখানোর পরই তাঁকে নিয়ে শোরগোল শুরু হয়। প্রথম মৌসুমে বল পায়ে নৈপুণ্য দেখানোর পর তাঁকে মেসির সঙ্গে তুলনা করা শুরু করেন অনেকেই। এই গ্রেমিওতে দুই শতাধিক ম্যাচ খেলা ভিয়েরা ধীরে ধীরে নিজের শুরুর ঝলকটা হারিয়ে ফেলেন। ২০১৯ সালে তাঁকে ছেড়ে দেয় গ্রেমিও। এরপর সান্তোস হয়ে আবার ২০২৩ সালে গ্রেমিওতে ফেরেন; কিন্তু সেখানে আর বেশি দিন থাকা হয়নি। ২০২৪ সালে ব্রাজিলের আরেক ক্লাব ভিতোরিয়ায় যোগ দিলেও আগের মতো মাঠে পারফর্ম করতে পারছেন না তিনি। এর মধ্যে ২০১৭ সালে ব্রাজিলের জার্সিতে অভিষেক হওয়ার পরও একাদশে নিয়মিত হতে পারেননি।