ক্রিকেট প্রশাসনে আসা নিয়ে বলার মতো অবস্থায় নেই তামিম
Published: 16th, January 2025 GMT
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় বলে দেওয়া তামিম ভবিষ্যতে কি করবেন সেটা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। ক্রিকেট প্রশাসন, ধারাভাষ্যসহ আরও কিছু দুয়ার তার খোলা রয়েছে। তামিম হাঁটবেন কোন পথে?
ক্রিকেট প্রশাসনে তামিম আসছেন এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও এই মুহূর্তে কোনো কিছু বলার অবস্থায় নেই তা স্পষ্ট করেই জানালেন। নির্দিষ্ট করে ক্রিকেট প্রশাসনের কথা জিজ্ঞেস করা হলে তামিম উত্তর দিয়েছেন, ‘‘এই মুহূর্তে বলার মতো অবস্থায় নেই…।’’
খেলার মাঠে তামিমকে দেখা যাবে সেই ধারনা দিয়ে রাখলেন, ‘‘আমি চেষ্টা করবো যতদিন (ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলা যায়)। এখন তো রিটায়ার্ড সো লেজেন্ড লিগের জন্যও কোয়ালিফাই করবো। ওই সব খেলবো। যদি প্রিমিয়ার লিগটা হয় সময়মত ওটা খেলবো। ইনশাআল্লাহ যদি ফিট থাকি যতদূর পারি খেলতে থাকবো। আমার ফোকাসটা খেলা নিয়ে এখানে দুটা টুর্নামেন্ট (বিপিএল ও ঢাকা লিগ) আছে এটা নিয়েই।’’
আরো পড়ুন:
‘সোনার ডিম পাড়া হাঁস’ নাহিদ নিজের প্রতি যত্নশীল
ঢাকাকে তলানিতে ঠেলে দুইয়ে বরিশাল
সিলেটের মাঠে প্রচুর রান হয়েছে। চার-ছক্কার বৃষ্টি নেমেছিল। সেখানে সীমানা ছোট থাকায় প্রবল সমালোচনা হয়েছিল। চট্টগ্রামের সীমানা বড় থাকায় খুশি তামিম, ‘‘ভালো লাগার বিষয় বাউন্ডারি বেড়েছে বাউন্ডারির সাইজ আগের চেয়ে, এটাই যেটা আপনি চান। কারণ, আজকে দেখছেন যে অনেকগুলো ক্যাচ হয়েছে বাউন্ডারিতে। এই জিনিসটা থাকা উচিত। আমার কাছে মনে হয় এটাই সঠিক সাইজ। এই সাইজে খেলা উচিত, অন্যথায় ৫২-৫৩ মিটার…।’’
চট্টগ্রাম/ইয়াসিন/আমিনুল
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব প এল ত ম ম ইকব ল
এছাড়াও পড়ুন:
‘ম্যাডাম ফুলি’ নির্মাতা শহিদুল ইসলাম খোকনকে হারানোর নয় বছর
আশি ও নব্বই দশকের নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের সিনেমা মানেই হলে উপচেপড়া ভিড়। একের পর এক অ্যাকশনধর্মী সিনেমা দিয়ে দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তখন তার সিনেমা মুক্তি পাওয়া মানেই ছিল, প্রেক্ষাগৃহের টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন। গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
দীর্ঘদিন মুখগহ্বরের মোটর নিউরন ডিজিসে (এএলএস) আক্রান্ত হয়ে ভুগছিলেন নির্মাতা খোকন। এরপর ২০১৬ সালের আজকের এই দিনে সকাল সোয়া আটটায় রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি।
শহীদুল ইসলাম খোকনের জন্ম ১৯৫৭ সালের ১৫ মে। জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল রানার সঙ্গে পরিচয় ও সখ্যের সূত্রে ঢাকার চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন তিনি। শুরুটা হয় সোহেল রানার সহকারী হিসেবে। খোকনের নিজের বানানো প্রথম সিনেমা ছিল ‘রক্তের বন্দী’।
শুরুর দিকে খোকনের সিনেমা ভালো ব্যবসা করতে না পারলেও চিত্রনায়ক রুবেলকে নিয়ে খোকনের ‘লড়াকু’ দারুণ সাফল্য পায়। এরপর ‘পালাবি কোথায়’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘ভণ্ড’, ‘ঘাতক’, ‘লড়াকু’, ‘বীরপুরুষ’, ‘লাল সবুজ’, ‘বজ্রমুষ্ঠি’, ‘সতর্ক শয়তান’, ‘বিষদাঁত’, ‘উত্থান পতন’ ও ‘টপ রংবাজ’-এর মতো বহু দর্শকপ্রিয় সিনেমা এসেছে তার হাত দিয়ে। দুটি সিনেমায় অভিনয় ছাড়াও তিনি নির্মাণ করেছেন প্রায় ৪০টির মতো সিনেমা।
ড্যানি সিডাক, ইলিয়াস কোবরার মতো অ্যাকশন সিনেমার অনেক অভিনেতাই ঢাকাই সিনেমায় এসেছেন শহীদুল ইসলাম খোকনের হাত ধরে। তার চলচ্চিত্রে মন্দের বিরুদ্ধে ভালোর, অপরাধীর বিরুদ্ধে সচেতন নাগরিকের লড়াই এসেছে বার বার। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনাও তার চলচ্চিত্রকে ছুঁয়ে গেছে। তিনি তার কাজের মাধ্যমে যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন দর্শক মনে।