১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্ত ৫
Published: 16th, January 2025 GMT
আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে আরও পাঁচজন মুক্তি পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি থেকে এক জন, কারাগার-২ থেকে তিন জন ও কারাগার-১ থেকে একজন মুক্তি পান।
হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, “হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অবসরপ্রাপ্ত সাবেক মেজর এম লিয়াকত হোসেন (৫৬) মুক্তি পান। আজ সকালে মুক্তির যাবতীয় কাগজপত্র এলে যাচাই বাছাই শেষে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।”
অপরদিকে কারাগার-২ থেকে এন এস আই এর সাবেক ফিল্ড অফিসার হেলাল উদ্দিন খান, সাবেক ডিজি এন.
পৌনে তিনটার দিকে তারা মুক্তি পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. আল-মামুন।
এছাড়াও পার্ট-১ থেকে বিকেল সাড়ে চারটার সময় এনএসআই এর সাবেক ডিরেক্টর (নিরাপত্তা) উইং কমান্ডার শাহাবুদ্দিন আহমেদকে মুক্তি দেওয়া হয়। তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারাগার-১ এর জেলার মো. তরিকুল ইসলাম।
ঢাকা/রেজাউল/এস
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
আহতদের প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানোর ঘোষণা উপদেষ্টা ফারুক ই আজমের
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে বিদেশে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। আহতদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সবকিছু সরকারের পক্ষ থেকে করা হবেও বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এসময় উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
গত বুধবার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত তিনজন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা হলেন-তাসনিয়া ইসলাম প্রেমা, আরাধ্য বিশ্বাস ও দুর্জয় মণ্ডল। এরমধ্যে প্রেমা ও আরাধ্য বিশ্বাস হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, সবকিছু ডাক্তারদের পরামর্শেই হবে। এখান থেকে যদি উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও নিতে হয় সেটাও চিকিৎসকদের পরামর্শ মতে করা হবে। আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য যদি বাইরে কোথাও নিতে হয় সরকারের পক্ষ থেকে আমরা উদ্যোগ নেব। চিকিৎসকদের পরামর্শে যা করা দরকার সবটুকু আমরা করব।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আরাধ্যর মা-বাবা দুজনই মারা গেছেন। এটা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। তার শারীরিক অবস্থা আস্তে আস্তে উন্নতি হচ্ছে। তবে এখনও শঙ্কামুক্ত না। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ হাসপাতালের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে।