শেখ হাসিনা ভারতের নাগরিকত্ব নিয়েছেন কি না, জানা নেই ঢাকার
Published: 16th, January 2025 GMT
শেখ হাসিনা ভারতের নাগরিকত্ব নিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মাদ রফিকুল আলম।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
মোহাম্মাদ রফিকুল আলম বলেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন কি না, সে তথ্য আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নেই। তিনি কোন স্ট্যাটাসে সেখানে আছেন, সেটা ভারত সরকারের বিবেচনার বিষয়।”
ভারতের সঙ্গে সব ধরনের চুক্তি পর্যালোচনার দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে মুখপাত্র বলেন, “ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার দ্বিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে। কোনো মন্ত্রণালয় ও সংস্থা পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে তা করতে পারে।”
ভারতের সঙ্গে করা সব চুক্তি প্রকাশ করা হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ভারতের সঙ্গে যেসব চুক্তি করা হয়েছে, তার সবই প্রকাশিত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গেলে আপনারা দেখতে পাবেন।”
আরেক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, “ভারতের সঙ্গে গোপন চুক্তি আছে কি না, আমার জানা নেই।”
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জুলাই গণহত্যার তথ্য সংগ্রহ করে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মোহাম্মাদ রফিকুল আলম।
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর ১৯ কূটনীতিককে ফেরত আসতে চিঠি পাঠিয়েছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই এসেছেন। যারা আসেননি, তারা ছুটিতে আছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।
তিনি বলেন, “জুলাই-আগস্টে আহত ১৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হয়েছে। অতিসত্বর আরো ১৪ জনকে পাঠানো হবে।”
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার ইস্যুতে তিনি বলেন, “যেসব জায়গায় ১৫০ গজ দূরত্ব মানা হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হবে।”
তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের মিশন প্রধান আমন্ত্রণ পেয়েছেন।
ঢাকা/হাসান/রফিক
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
আহতদের প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানোর ঘোষণা উপদেষ্টা ফারুক ই আজমের
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে বিদেশে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। আহতদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সবকিছু সরকারের পক্ষ থেকে করা হবেও বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এসময় উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
গত বুধবার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত তিনজন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা হলেন-তাসনিয়া ইসলাম প্রেমা, আরাধ্য বিশ্বাস ও দুর্জয় মণ্ডল। এরমধ্যে প্রেমা ও আরাধ্য বিশ্বাস হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, সবকিছু ডাক্তারদের পরামর্শেই হবে। এখান থেকে যদি উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও নিতে হয় সেটাও চিকিৎসকদের পরামর্শ মতে করা হবে। আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য যদি বাইরে কোথাও নিতে হয় সরকারের পক্ষ থেকে আমরা উদ্যোগ নেব। চিকিৎসকদের পরামর্শে যা করা দরকার সবটুকু আমরা করব।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আরাধ্যর মা-বাবা দুজনই মারা গেছেন। এটা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। তার শারীরিক অবস্থা আস্তে আস্তে উন্নতি হচ্ছে। তবে এখনও শঙ্কামুক্ত না। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ হাসপাতালের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে।