গভীর রাতে বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের ঘরে ডুকে কোপিয়েছে  দুষ্কৃতিকারী। এ ঘটনায় রীতিমতো অবাক পুরো বলিউড। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার দেয়াল ভেদ করে কীভাবে নবাব বাড়িতে ডাকাত হানা দিল মাঝরাতে? এবার জানা গেল তা।  

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার রাতে সাইফের বাড়ি পাহারার দায়িত্বে ছিলেন ৭ নিরাপত্তারক্ষী। তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঢোকে দুষ্কৃতিকারী। সিসিটিভি ফুটেজে কাউকে বাড়ির ভেতরে ঢুকতে দেখা যায়নি। তাই রহস্য রয়েই যাচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ডাকাতির উদ্দেশে ছোট নবাবের বান্দ্রার বাড়িতে হামলা চালায় দুষ্কৃতিকারী। বাড়ি ঢুকতেই দুষ্কৃতিকারীকে দেখে ফেলেন পরিচারক। তিনি ঝগড়া বাঁধিয়ে দেন । বিষয়টি নজরে এলে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন সাইফ। দুষ্কৃতিকারীকে বাধা দিতে গেলে ধস্তাধস্তি শুরু হয় নায়কের সঙ্গে। পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করতে সাইফ নিরস্ত্র অবস্থায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে একাধিকবার ছুরির আঘাত করে দুষ্কৃতিকারী।

এ সময় ৬ বার ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয় সাইফের বাহুতে। দুষ্কৃতিকারী পালিয়ে গেলে রক্তাক্ত অবস্থায় অভিনেতাকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছে।

বিষয়টি নিয়ে মুম্বাই পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) দীক্ষিত গেদাম বলেন, “এক জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি সইফ আলি খানের বাড়িতে ঢোকেন। তার পর অভিনেতার সঙ্গে ওই ব্যক্তির হাতাহাতি হয়। আহত অভিনেতার চিকিৎসা চলছে। তদন্ত চলছে।”

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার

নাশকতার পরিকল্পনা করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মাদারীপুরে কামাল সরদার নামের এক গ্রাম পুলিশকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে তার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার কামাল জেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের চাপাতলী গ্রামের কেরামত সরদারের ছেলে। তিনি একই ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশ হিসেবে কর্মরত। 

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাশকতার পরিকল্পনাকারীদের ধরতে চাপাতলীতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় নিজ বাড়ি থেকে কামাল সরদারকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে তাকে পুলিশ বাদী মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মাদারীপুর সদর থানায় হস্তান্তর করে ডিবি পুলিশ। 

স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় এলাকায় নানা অপকর্ম করে আসছিলেন কামাল। তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। কয়েকবার তাকে সতর্ক করা হলেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় হায়দার হোসেন বলেন, ‘কামাল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হয়ে কাজ করেন। পাশাপাশি মারামারি, মোটরসাইকেল চুরিসহ নানা অপকর্মে তিনি জড়িত। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা আছে।’

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোকছেদুর রহমান জানান, কামাল সরদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় এক ডজন মামলা রয়েছে। তবে পুলিশ বাদী একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ