একটি দিবস পালন করতে হলেও তো কিছু না কিছু করতে হয়, অথচ আজ এমন একটি দিবস যে দিবস উপলক্ষে আপনার কিছুই করার নেই। আজ কোনো পরিকল্পনা রাখার দরকার নেই| কেন জানেন?— আজ ১৬ জানুয়ারি `নাথিং ডে’ বা ‘কিছু না দিবস’।
এই দিবসের প্রয়োজনীয়তা প্রথম অনুভব করেছিলেন মার্কিন কলামিস্ট হ্যারল্ড কফিন। তিনি ১৯৭২ সালে কিছু না দিবসের প্রবর্তন করেন। আর তার এই আইডিয়া লুফে নেন অনেকেই। দিবসটি মনে করিয়ে দেয়, সব সময় সব কিছু করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। এমনকি দিবসটি উদযাপনে বিশেষ কোনো প্রস্তুতি দরকার পড়ে না।
একান্তভাবে দিনটি কাটাতে পারে। আরাম, আয়েশ করতে পারেন। কেউ যদি প্রশ্ন করে, কী হতে চাও? অনায়াসে বলে দিতে পারেন ‘কিছু না’। কেউ যদি আপনার প্ল্যান জানতে চায় তাকেও বলে দিতে পারেন, কিছু না।
আজ একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কোনো কাজই করার দরকার নেই!— দিনটি মূলত আপনাকে অহেতুক ছুটে চলার গতি কমাতে চায়। অতিরিক্ত প্রত্যাশা থেকে বের করে এনে একটি স্বস্তি দিতে চায়। বছরের একটি দিন না হয় এভাবেই যাক।
সূত্র: ডেইস অব দ্য ইয়ার
ঢাকা/লিপি
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
ঈদের শাড়ি পরে রান্নার সময় আগুন লেগে গৃহবধূর মৃত্যু
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ঈদের দিন নতুন শাড়ি পরে রান্না করার সময় আগুন লেগে ঊর্মি আক্তার নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার সকালে আগুনে দগ্ধ হন ঊর্মি। ওইদিন রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
ঊর্মি (২৫) উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের খাসখামা গ্রামের দেয়াঙ আলী চৌধুরীবাড়ির নঈম উদ্দিন ওরফে বাঁচা মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন নতুন শাড়ি পরা অবস্থায় ঊর্মি রান্না করছিলেন। তখন অসাবধানতাবশত চুলা থেকে শাড়িতে আগুন ধরে যায়। এক পর্যায়ে তিনি রান্নাঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার করেন। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শাড়িতে আগুন লেগে গৃহবধূ ঊর্মির শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।
আনোয়ারা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৈয়্যবুর রহমান জানান, ওই গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।