দেশে এইচএমপিভি ভাইরাসে প্রথম মৃত্যু
Published: 16th, January 2025 GMT
হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাসে (এইচএমপিভি) আক্রান্ত সানজিদা আক্তার (৩০) নামে এক নারী মারা গেছেন। গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর মহাখালী সংক্রামক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। দেশে এইচএমপিভি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম কোনো রোগী মারা গেলেন। তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব এলাকায় বলে জানা গেছে।
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা.
গত ১২ জানুয়ারি সানজিদার এইচএমপিভিতে আক্রান্ত হওয়ার খবর আসে। জানা যাচ্ছিল ওই নারীর বিদেশ সফরের কোনো ইতিহাস ছিল না। ২০১৭ থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৮ জন আক্রান্ত।
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে পূর্ব এশিয়ার দেশ চীনে প্রথম এর সংক্রমণ ধরা পড়ে। এর পর জাপানে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এইচএমপিভির প্রাদুর্ভাব মালয়েশিয়া ও ভারতেও রয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা এইচএমপিভির বিস্তার ঠেকাতে গত সোমবার বিশেষ নির্দেশনা জারি করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
নির্দেশনায় এইচএমপিভির বিষয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বিমানবন্দরের যাত্রী, স্টাফ ও দর্শনার্থীদের মুখে মাস্ক রাখা ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়েছে। কারও মধ্যে জ্বর, কফ, শ্বাস ছোট হওয়ার মতো এইচএমপিভির লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দরের হেলথ সার্ভিসে জানাতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনাকারী দেশি ও বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এবং যেসব দেশে এইচএমপিভি আক্রান্ত রোগী রয়েছে, সেসব দেশ থেকে যাত্রী আনার ক্ষেত্রেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। বিমানের ভেতর যদি কারও মধ্যে জ্বর, কফের মতো এইচএমপিভির লক্ষণ দেখা দেয়, সে ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দরের হেলথ সার্ভিসে জানাতে হবে।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: এইচএমপ ভ র
এছাড়াও পড়ুন:
পড়ে থাকা কার্টুন খুলতেই বেরিয়ে এলো টুকরো টুকরো মরদেহ
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পরিত্যক্ত কার্টুনে মরদেহের কয়েক টুকরো উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মাথাসহ মরদেহের টুকরোগুলো পলিথিনে মোড়ানো ছিল। আজ শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে লৌহজং উপজেলার আনোয়ার চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, পদ্মা সেতু উত্তর থানাধীন মেদিনীমণ্ডল গ্রামের আনোয়ার চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে খেলার সময় একটি পরিত্যক্ত কার্টুন দেখতে পায় কয়েকজন কিশোর। তার কাছে গিয়ে কার্টুন খুলতে পলিথিন ব্যাগে মরদেহের খণ্ডিত অংশ দেখতে পায়। সঙ্গে সঙ্গে তারা স্থানীয়দের জানায়। পরে গ্রামবাসী বিষয়টি পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, ব্যাগের ভেতরে বিচ্ছিন্ন মাথাসহ কোমর থেকে গলা পর্যন্ত শরীরের কয়েকটি অংশ পাওয়া গেছে।
পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, মাথা দেখে মনে হচ্ছে, এটি কোনো পুরুষের মরদেহ।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কে বা কারা এই ব্যাগ এখানে ফেলে রেখে গেছে তা দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরদেহের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।