এইচএমপিভি প্রতিরোধে ভোমরা ইমিগ্রেশনে সতর্কতা
Published: 16th, January 2025 GMT
প্রতিবেশী দেশ ভারতে নতুন ভাইরাস হিউম্যান মেটোপনিইমোন (এইচএমপিভি) ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় দেশের সীমান্ত বৈধ রুটের মধ্যে ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আগাম সর্তকতা জারি করা হয়েছে। ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট যাত্রীদের করা হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, ‘‘সাতক্ষীরার ভোমরা ইমিগ্রেশনে স্বাস্থ্যকর্মীরা পাসপোর্ট যাত্রীদের এইচএমপিভি ভাইরাসের লক্ষণ রয়েছে কিনা পরীক্ষা করছেন। তাদের তাপমাত্রা দেখা হচ্ছে।’’
‘‘জ্বর, নাক বন্ধ, কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো সাধারণ ঠান্ডাজনিত সমস্যা রয়েছে কিনা দেখা হচ্ছে। তবে, জেলায় এখনো কোনো এইচএমপিভি ভাইরাসের রোগী ধরা পড়েননি।’’ - যোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে পাসপোর্ট যাত্রীরা বলছেন, ভারতের ওপারে কোনো পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তবে, বাংলাদেশে পরীক্ষা করিয়ে তারা সন্তুষ্ট।
তবে, ভোমরা বন্দরে আমদানি পণ্যবাহী ট্রাকচালক ও হেলপারদের কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দ্রুত তাদেরও পরীক্ষার আওতায় আনার দাবি সুশীল সমাজের।
ঢাকা/শাহীন/রাজীব
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর এইচএমপ ভ পর ক ষ
এছাড়াও পড়ুন:
সোনারগাঁয়ে যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টা, স্বামী গ্রেপ্তার
সোনারগাঁয়ে যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টায় স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ভূক্তভোগী সাদিয়া আক্তার বাদী হয়ে স্বামী ও শাশুড়িকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ মাদকাসক্ত স্বামী উজ্জ্বল মিয়াকে গ্রেপ্তার করলেও তার মা মনোয়ারা বেগম (৬০) পলাতক রয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত উজ্জলকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
ভূক্তভোগী সাদিয়ার মা জানান, মোগরাপাড়া ইউনিয়নের দমদমা এলাকার মৃত শাহজাহান মিয়ার ছেলে উজ্জলের সঙ্গে তার মেয়ে সাদিয়াকে দুই বছর আগে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকেই ৩ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য সাদিয়াকে শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছে।
গত বুধবার বিকেলে তার শাশুড়ি ও জামাই মিলে হত্যার উদ্দেশ্যে রড ও কাঠের টুকরো দিয়ে বেধড়ক মারধর করে৷
তিনি আরও জানান, উজ্জল মাদকাসক্ত। তাকে বেশ কয়েকবার রিহ্যাবে রেখে চিকিৎসা করার পরও সে মাদক সেবন করছে। মাদকাসক্ত অবস্থায় তার মেয়েকে পেটানোর সময় স্থানীয়রা তার চিৎকারে এগিয়ে আসলে আবার অত্যাচার শুরু করে শাশুড়ি।
পরবর্তী এলাকাবাসী তার মোবাইলে বিষয়টি জানালে শশুর বাড়ি গিয়ে মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। বর্তমানে তার মেয়ে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মেয়েকে হত্যা চেষ্টার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করি।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল হাসান খান বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ভূক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেছি। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়েছি।