বন্দরে কিস্তির টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে অটো চালকের আত্মহত্যা
Published: 15th, January 2025 GMT
বন্দরে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়ে শান্ত ইসলাম (১৬) নামে এক অটো চালক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্নহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত অটো চালক শান্ত ইসলাম বন্দর উপজেলার বারপাড়াস্থ বাগান বাড়ি এলাকার মৃত নূর হোসেন মিয়ার ছেলে ।
আত্মহত্যা ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে বন্দর উপজেলার বারপাড়া বাগানবাড়ি নিজ বাড়ি থেকে ওই মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় নিহতের স্বজনরা ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নিয়ে এসে দুপুরে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন সম্পর্ন করে।
নিহতের মা আয়েশা বেগম জানান, স্বামী হারা ছেলেকে নিয়ে বাসা বাড়িতে কাজ করে ছেলেকে বড় করেছি। সংসারের হাল ধরতে ব্রাক এনজিও থেকে ২ লাখ টাকা লোন তুলে দেড় লাখ টাকায় ছেলেকে একটি অটো কিনে দেওয়া হয়। গত ৫ জানুয়ারি বন্দরের সাবদি এলাকা থেকে যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা অটো নিয়ে যায়।
গত ১০ জানুয়ারি ব্রাক এনজিওর কিস্তি দেয়ার তারিখ ছিল। সময় মত কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পারায় এনজিওর চাপ সইতে না পেরে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে শান্ত।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, আত্মহনকারী পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় তারা লাশ নিয়ে দাফন করেছেন।
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ
এছাড়াও পড়ুন:
চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মুত্যু
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইয়াসিন আলী (২৪) ও মাহির তাজয়ার তাজ (১৫) নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
বুধবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে একটি ও গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মাহির তাজওয়ার তাজ আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে ও ইয়াসিন আলী চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের দিদার আলীর ছেলে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদুর রহমান, জানান, অসাবধানতা ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল ড্রাইভ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ গুরুতর আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রাতে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মাহির মারা যায়।
অন্যদিকে গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে পড়ে যায়। এসময় তার দুই পা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুঁড়িয়ে যায়। তাকে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ দিনের মাথায় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ইয়াসিন মারা যায়।
দুটি দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের না করায় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্ব স্ব পরিবারের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা/মামুন/টিপু