১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবর খালাস পাওয়ায় নেত্রকোনায় আনন্দমিছিল
Published: 14th, January 2025 GMT
চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনায় অস্ত্র আইনের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের খালাস পাওয়ার খবরে নেত্রকোনায় আনন্দমিছিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত জেলা শহর ছাড়াও লুৎফুজ্জামানের নির্বাচনী এলাকা নেত্রকোনা-৪ আসনের বিভিন্ন এলাকায় নেতা-কর্মী ও অনুসারীরা মিছিল করেন।
সন্ধ্যায় জেলা যুবদলের সাবেক ১ নম্বর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকা থেকে মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে শেষ হয়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে শহরের কুড়পাড় থেকে মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে ছোট বাজার এলাকায় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে শেষ হয়। সেখানে নেতারা বক্তব্য দেন।
সন্ধ্যায় লুৎফুজ্জামান বাবরের নিজ উপজেলা মদনে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আনন্দমিছিল বের করেন। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো.
মিছিল শেষে বক্তারা বলেন, লুৎফুজ্জামান বাবর বিএনপির সরকারের সময়ে সফল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ওই সময় তিনি নির্বাচনী এলাকা ছাড়াও নিজ জেলায় বহু মানুষকে চাকরিসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। তাঁকে গ্রেনেড হামলা, ১০ ট্রাক অস্ত্রসহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করে ১৭ বছর ধরে কারাগারে রাখা হয়েছে। এসব মামলা থেকে তাঁকে বেকসুর খালাস দেওয়ায় তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন।
লুৎফুজ্জামান বাবর ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরি) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আজ ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে খালাস পান।
রায়ের পর লুৎফুজ্জামান বাবরের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘আদালত বলেছেন, আজ একটি অ্যাডভান্স অর্ডার সই করে দেবেন। আমি আশা করি, আজই এই আদেশ পৌঁছানো হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তিনি জেল থেকে মুক্তি পাবেন। বাবর কেরানীগঞ্জ কারাগারে আছেন।’
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া মরদেহের হাত দেখে মাকে চিনে নিলেন ছেলে
ভূমিকম্পে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বেরিয়ে আছে শুধু একটি হাত, বাকি শরীর চাপা পড়ে আছে। হাতের কবজির ওই অংশটুকু দেখেই মাকে চিনতে পেরেছেন ছেলে। মায়ের নিথর হাত মুঠো করে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
অনলাইনে ভেসে বেড়ানো এই ভিডিও ফুটেজ মিয়ানমারের। গত শুক্রবার ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এশিয়ার এই দেশ কেঁপে ওঠে। ভূমিকম্পে ধসে পড়ে বহু ভবন ও স্থাপনা। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০–এর বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার।
ভিডিও ফুটেজে মায়ের হাত ধরে কাঁদতে থাকা ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘মা, আমি আপনার ছেলে, আপনার নামে ধাম পাঠ করছি।’
এরপর মায়ের হয়ে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘দয়া করে আমার ব্যাপারে নিশ্চিন্তে থাকুন। আপনি যেখানে চান না, তেমন কোনো স্থানে আমি যাব না। আমি বোকার মতো কোনো কাজ করব না। আমি ভালো থাকব, দয়া করে আমার ব্যাপারে নিশ্চিন্তে থাকুন।’
আরও পড়ুনভূমিকম্পের দ্বিতীয় দিনে মিয়ানমার-থাইল্যান্ডে এখন পর্যন্ত যা জানা গেল১৯ ঘণ্টা আগেসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ব্যক্তি নিজেকে রাজধানী নেপিডোর একজন বাসিন্দা বলে বর্ণনা করেন। তবে ভিডিওটি কোথায় ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরও পড়ুনমিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১৬০০ ছাড়াল১৯ ঘণ্টা আগে