মেসির প্রশংসা করে যা বললেন বাস্কেটবল কিংবদন্তি
Published: 14th, January 2025 GMT
দুই কিংবদন্তি বেশ আগে থেকেই একে অপরের গুণমুগ্ধ। নিয়মিত যোগাযোগ হয়। একে অপরকে উপহারও পাঠান। গুণমুগ্ধ হয়ে প্রশংসার শুরুটা ঠিক কবে, তা জানা যায়নি। তবে ২০১৫ সালে গোল্ডেন স্টেট ওয়ারিয়র্সের হয়ে এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার পর লিওনেল মেসির প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করেছিলেন স্টিফেন কারি। ‘লেটস গো ওয়ারিয়র্স’কে সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয়, আমাদের খেলার ধরনটা একই। আমরা সৃষ্টিশীল।’
আরও পড়ুনভিনিসিয়ুসের সৌদি আরবে যাওয়া ‘শুধু সময়ের ব্যাপার’২ ঘণ্টা আগেসে বছরই ইনস্টাগ্রামে মেসির অনুসারীর সংখ্যা ৩০ মিলিয়ন হওয়ার পর তাঁকে একটি জার্সি উপহার দিয়েছিলেন গোল্ডেন স্টেট ওয়ারিয়র্সে ৩০ নম্বর জার্সি পরে খেলা কারি। পরের বছর ইনস্টাগ্রামে কারি ১০ মিলিয়ন অনুসারীর সংখ্যা পাওয়ায় তাঁকে উপহার হিসেবে ১০ নম্বর জার্সি পাঠিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। তখন তিনি বার্সেলোনার, এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামির।
বাস্কেটবল কিংবদন্তি স্টিফেন কারি.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মুত্যু
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইয়াসিন আলী (২৪) ও মাহির তাজয়ার তাজ (১৫) নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
বুধবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে একটি ও গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মাহির তাজওয়ার তাজ আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে ও ইয়াসিন আলী চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের দিদার আলীর ছেলে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদুর রহমান, জানান, অসাবধানতা ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল ড্রাইভ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ গুরুতর আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রাতে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মাহির মারা যায়।
অন্যদিকে গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে পড়ে যায়। এসময় তার দুই পা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুঁড়িয়ে যায়। তাকে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ দিনের মাথায় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ইয়াসিন মারা যায়।
দুটি দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের না করায় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্ব স্ব পরিবারের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা/মামুন/টিপু