বৃহস্পতিবার থেকে স্বাভাবিক হতে পারে সঞ্চয়পত্র বিক্রি
Published: 14th, January 2025 GMT
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সার্ভার আপগ্রেডেশনের কাজ চলছে। এতে প্রায় পাঁচ দিন বন্ধ রয়েছে সব ধরনের সঞ্চয়পত্র বিক্রি। তবে কাজ শেষের দিকে, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে সার্ভার চালু হতে পারে বলছেন সংশ্লিষ্টরা। অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, সঞ্চয়পত্রের অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৯ সালের ১ জুলাই। বর্তমানে অর্থ বিভাগের স্ট্রেনদেনিং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট, প্রোগ্রাম টু এনাবল সার্ভিস ডেলিভারির (এসপিএফএমএস) মাধ্যমে সঞ্চয়পত্রের সার্ভারের কাজটি পরিচালনা হয়ে আসছে। গত বুধবার থেকে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের এ সার্ভার আপগ্রেশনের কাজ চলছে। ওই দিন থেকেই বন্ধ রয়েছে সার্ভার অর্থাৎ সার্ভার ডাউন রয়েছে। এতে বন্ধ হয়ে যায় সঞ্চয়পত্র বিক্রি ও ভাঙানো। এতে করে চরম বিপাকে পড়ে গ্রাহক।
বিগত চার দিনের মতো মঙ্গলবারও সকাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে দেখা যায় নারীসহ একাধিক গ্রাহককে। তাদের সবাই এসেছেন সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য, কেউ এসেছেন ভাঙানোর জন্য। আবার কেউ এসেছেন তথ্য (কবে ঠিক হবে সার্ভার) জানার জন্য। তাদের অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করছেন। কারণ হেল্পডেস্ক থেকে ফর্ম পূরণে সহায়তা করা হলেও সার্ভার চালুর বিষয়ে কোনো তথ্য নেই কর্মকর্তাদের কাছে। তারা বলছেন, সঞ্চয় অধিদপ্তর সার্ভার চালু করলে আমরা ফরম জমা নেওয়া হবে।
বিক্রি বন্ধ নিয়ে যথাযথ প্রক্রিয়া ঘোষণা দেওয়া না হলেও গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর তাদের নোটিশ বোর্ডে দুঃখ প্রকাশ করে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। তবে গ্রাহকরা বলছেন নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পরিবর্তে সরকার যদি সার্ভার বন্ধের বিষয়টি পত্রিকায় ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রচার করা হতো, তাহলে বিষয়টা তারা সহজে জানতে পারতেন।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ
অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন আজ বুধবার (২ এপ্রিল) দেশটির গভর্নর জেনারেল স্যাম মোস্টান এসির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
পরিচয়পত্র পেশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গভর্নর জেনারেলের অফিসিয়াল সেক্রেটারি জেরাল্ড মার্টিন, অস্ট্রেলিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিনিধি ক্যাটরিনা কুপার, ডেপুটি সেক্রেটারি, হাইকমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং অস্ট্রেলিয়া সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
পরিচয়পত্র পেশ শেষে তারা সংক্ষিপ্ত একান্ত আলোচনায় মিলিত হন, যেখানে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। গভর্নর জেনারেল বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে অভিনন্দন জানান এবং তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
হাইকমিশনার গভর্নর জেনারেলকে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশের জনগণের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। একইভাবে গভর্নর জেনারেল বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানান।
অস্ট্রেলিয়াতে হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার আগে এফ এম বোরহান উদ্দিন ফিলিপাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ঢাকা/হাসান/রফিক