বেসরকারি সংস্থা কেয়ার বাংলাদেশ জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি ঢাকায় ইউএসএআইডি বিজয়ী অ্যাকটিভিটি বিভাগে কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

পদের নাম: হাব মিল ম্যানেজার

পদসংখ্যা:

যোগ্যতা: পরিসংখ্যান, সমাজবিজ্ঞান, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, পাবলিক হেলথ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন, রিসার্চ, নলেজ ম্যানেজমেন্ট, কোয়ালিটেটিভ ও কোয়েনটিটেটিভ রিসার্চ মেথোডলজিতে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান থাকতে হবে। কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সংস্থার বিশেষ করে হেলথ সেক্টর প্রোগ্রামে সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট, মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ থেকে ছয় বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অবশ্যই সুপারভাইজার পদে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এমএস ওয়ার্ডম পাওয়ার পয়েন্ট, এক্সেল, অ্যাকসেস, এসপিএসএস ও পাওয়ার বিআইয়ের কাজ জানতে হবে। ফিল্ড ভিজিটের মানসিকতা থাকতে হবে।

কর্মস্থল: কেয়ার বাংলাদেশ, ঢাকা অফিস

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক

আরও পড়ুনআন্তর্জাতিক সংস্থায় চাকরি, বেতন বছরে ২০ লাখ ৩৩ হাজার৮ ঘণ্টা আগে

বেতন-ভাতা: মাসিক বেতন ১,২১,৬৯৬ টাকা। এ ছাড়া প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, উৎসব বোনাস, অর্জিত ছুটি ভাতা, জীবন ও স্বাস্থ্যবিমা, কর্মজীবী মায়ের জন্য সুযোগ ও ডে-কেয়ারের সুবিধা আছে।

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের কেয়ার বাংলাদেশের চাকরিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের এই লিংকে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে Apply Online বাটনে ক্লিক করে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২১ জানুয়ারি ২০২৫।

আরও পড়ুনবিদেশি সংস্থায় চাকরি, কর্মস্থল নেপাল, বছরে বেতন ৮১ লাখ ১৩ হাজার১১ জানুয়ারি ২০২৫আরও পড়ুনকখন সব বই পাবে শিক্ষার্থীরা, জানালেন শিক্ষা উপদেষ্টা৭ ঘণ্টা আগে.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানের আশা  

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে চলমান আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। 

প্রেস সচিব জানান, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্রুত শুল্কহার যৌক্তিক করার বিভিন্ন বিকল্প খুঁজে বের করবে, যা এই বিষয়টি সমাধানে অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরো লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমাদের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একযোগে কাজ করে আসছি। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশা করছি।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ ধার্য করেন। আগে দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কের হার ছিলো গড়ে ১৫ শতাংশ। অতিরিক্ত শুল্কের কারণে দেশের রপ্তানি বাজারে বিশেষ করে পোশাক খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ২৯ শতাংশ শুল্ক। চীনা পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ শুল্ক।

এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ আরোপ করা হয়েছে।

ঢাকা/ইভা 

সম্পর্কিত নিবন্ধ