তথ্য গোপন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ঢাকার পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা করে মোট ২০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ মঙ্গলবার দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন এই তথ্য জানান। দুই মামলায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

দুদক বলছে, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে শেখ হাসিনা নিজ নামে ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ নেন। এই অভিযোগে তাঁকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে একই প্রকল্পে তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে ১০ কাঠার আরেকটি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগে জয়কে প্রধান আসামি ও শেখ হাসিনাকে সহযোগী আসামি করে অপর মামলাটি করা হয়েছে।

এ নিয়ে দিয়ে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে মোট ছয় মামলায় শেখ হাসিনাকে আসামি করা হলো। এই অনিয়মের অভিযোগে ইতিমধ্যে দুদকের করা অন্য মামলায় শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), বোন শেখ রেহানা, তাঁর মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক ও ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিককে (ববি) আসামি করা হয়েছে।

শেখ হাসিনাসহ তাঁর পরিবারের ছয় সদস্যের নামে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা করে মোট ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ গত ২৭ ডিসেম্বর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এই অনিয়মের অভিযোগ দুদক ছয়টি মামলা করল।

এ ছাড়া ৯ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ, শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গত ১৭ ডিসেম্বর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

ভিডিও কলে রেখে প্রেমিকের আত্মহত্যা, গৃহবধূকে গাছে বেঁধে রাখলেন এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে রাসেল নামে এক কিশোর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

রাসেল (১৫) সদর উপজেলার দরুন এলাকার চান মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রেমিকা গৃহবধূকে গাছে বেঁধে রাখেন স্থানীয়রা।

স্বর্ণালী নামে স্থানীয় এক নারী জানান, রাসেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এক নারীর। এই নারীর কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়েছে। তাঁর স্বামী কলেজের শিক্ষক। তাদের ঘরে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বুধবার হঠাৎ খবর পাওয়া যায় রাসেল আত্মহত্যা করেছে। তখন মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে ওই নারীর সঙ্গে তার কথোপকথনের বিষয়টি জানা যায়। রাসেলের সঙ্গে ওই নারীর ঝগড়া চলছিল মনে হয়। রাসেল আত্মহত্যা করার সময় ওই গৃহবধূর সঙ্গে কথাও বলেছে। আত্মহত্যার বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়। অপরদিকে প্রেমিকা গৃহবধূকে এলাকাবাসী আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানবীর আহমেদ বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ