ট্রাকের ধাক্কায় সড়কে, এরপর ট্রলির চাপায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত
Published: 14th, January 2025 GMT
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চারঘাট-বাঘা মহাসড়কের মীরগঞ্জ সাজির বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন নাটোরের লালপুর উপজেলার মোমিনপুর বাগনা গ্রামের ফয়সাল হোসেন (১৫) ও নাসির উদ্দিন (২০)।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মীরগঞ্জে পারিবারিক কাজ শেষে মোটরসাইকেলে লালপুরের দিকে যাচ্ছিলেন ওই দুজন। এ সময় মীরগঞ্জ সাজির বটতলায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লেগে রাস্তায় ছিটকে পড়েন তাঁরা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই আখবোঝাই একটি ট্রলির চাকায় পিষ্ট হয়ে তাঁরা গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
ঘটনার পর ট্রাক ও ট্রলির চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন বলে জানান বাঘা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ ফ ম আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।
.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
প্রথম লেগে রোমাঞ্চকর এক লড়াই উপহার দিয়েছিল বার্সেলোনা ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। তবে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে খুব একটা জমেনি লড়াই। ফেরান তোরেসের কল্যাণে প্রথম আধা ঘন্টায় পাওয়া গোল বাকি সময়ে আগলে রাখল বার্সেলোনা। তাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে তিন মৌসুম পর কোপা দেল রের ফাইনালে উঠল কাতালান দলটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনার অপরাজেয় যাত্রা পৌঁছে গেল টানা ২১ ম্যাচে। লা লিগার শীর্ষে থাকা দলটি এই বছরে এখনও কোনো ম্যাচ হারেনি।
বুধবার রাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ ব্যবধানের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বার্সা। আগামী ২৬ এপ্রিলের শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম স্পেনের দ্বিতীয় সেরা প্রতিযোগিতাটির ফাইনালে দেখা যাবে এল-ক্লাসিকো মহারণ।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। লামিন ইয়ামাল ও মার্কোস ইয়োরেন্তে দুই প্রান্ত দিয়ে চাপ তৈরি করছিলেন। তবে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। মিডফিল্ডে পেদ্রি ও ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ছন্দময় ফুটবল খেলছিলেন, সঙ্গে ফেরমিন লোপেজও আক্রমণে ছিলেন কার্যকর।
প্রথমার্ধে লামিন ইয়ামালের পাস থেকে বল পেয়ে ফেরান তোরেস গোল করে বার্সাকে এগিয়ে নেন। অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসোকে পরাস্ত করে দলকে লিড এনে দেন তিনি। এরপর রাফিনহা একাধিক সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি।
দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ আক্রমণ বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু পরিবর্তন আনে। গ্রিজমানের শট পোস্টের বাইরে চলে যায়, আর আলেক্সান্দার সরলথ সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। বার্সেলোনা এরপর রক্ষণ সামলে খেলতে শুরু করে এবং প্রতিপক্ষকে গোলের সুযোগ দিতে চায়নি।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সরলথ গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। অ্যাটলেটিকো শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেও সমতা ফেরাতে পারেনি, বার্সেলোনা তাদের লিড ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে।