Samakal:
2025-04-03@16:26:56 GMT

পিএসএল খেলবেন তারা

Published: 14th, January 2025 GMT

পিএসএল খেলবেন তারা

কাছাকাছি সময়েই একদিকে চলবে ভারতে আইপিএল, অন্যদিকে পাকিস্তানে পিএসএল। বাংলাদেশের বাজারে বরাবরই আইপিএলের আকর্ষণ বেশি। ২৩ মার্চ শুরু হতে যাওয়া এবারের আসরে সেখানে বাংলাদেশের কোনো মুখ নেই। তাতে এবার হয়তো ভাগ বসাতে যাচ্ছে ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া পাকিস্তান সুপার লিগ টি২০। কেননা সেখানে এবার তিন-তিনজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে দেখা যাবে খেলতে।

গতকাল পিএসএলের ড্রাফট থেকে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন টপঅর্ডার ব্যাটার লিটন কুমার দাস, পেসার নাহিদ রানা ও লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর এদিন পাকিস্তানের লাহোর থেকে সুখবরটি পান লিটন। এদিনের ড্রাফটে সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তাসকিন আহমেদরা থাকলেও প্রথম দফায় দল পাননি তারা।

পেসার নাহিদ রানা বাংলাদেশিদের মধ্যে সবার আগে পাকিস্তান থেকে সুখবর পান। তাঁকে দলে ভিড়িয়েছে পেশোয়ার জালমি। এপ্রিলে বাংলাদেশের কোনো সিরিজ নেই, তাই ছাড়পত্র পেলে সতীর্থ হিসেবে বাবর আজম, সায়েম আইয়ুবকে পাবেন তিনি। গতির ঝড় তুলে পাকিস্তানে দলকে টেস্ট জেতানো এই পেসার ড্রাফটে গোল্ড ক্যাটেগরিতে ছিলেন। ওই ক্যাটেগরিতে থাকা ক্রিকেটারদের ভিত্তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বা প্রায় সাড়ে ৪৫ লাখ টাকা।

লিটন দাসকে সিলভার ক্যাটেগরি থেকে দলে নিয়েছে করাচি কিংস। একই ক্যাটেগরি থেকে রিশাদকে দলে ভিড়িয়েছে লাহোর কালান্দার্স। সিলভার ক্যাটেগরির ভিত্তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার ৭০০ মার্কিন ডলার বা ২৩ লাখ টাকা। গোল্ড ক্যাটেগরির নাহিদ প্রথম দফার ডাকে দল পান। 
তবে লিটন দ্বিতীয় রাউন্ড ও রিশাদ তৃতীয় রাউন্ড থেকে দল পেয়েছেন। পিএসএল ড্রাফটে সবচেয়ে দামি প্লাটিনাম ক্যাটেগরিতে ছিলেন সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। ওই ক্যাটেগরিতে থাকা ৪৪ জন ক্রিকেটারের ভিত্তি মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে’র সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

প্রেস সচিব বলেন, বিমসটেক বে অফ বেঙ্গলকে ঘিরে একটা রিজনাল গ্রুপ। এই গ্রুপের যথেষ্ট পটেনশিয়ালিটি আছে। সেই পটেনশিয়ালিটিটা আমরা আসলে অর্জন করতে পারিনি। প্রফেসর ইউনূস এটার ওপর আরও জোর দেবেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর থেকেই বলেছেন যে, আমাদের আশপাশে যে সার্ক আছে, বিমসটেক আছে, সেগুলোকে যেকোনোভাবে হোক আরও সক্রিয় করতে হবে। যাতে করে বাংলাদেশ তার রিজনাল কোঅপারেশন ফ্রেমে তার কথাগুলো বলতে পারে। তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পিপল টু পিপল কো-অপারেশনগুলো আরও দৃঢ় হয়। এই জায়গা প্রফেসর ইউনূসের একটা স্পষ্ট পলিসি আছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ইউএসের পক্ষ থেকে বিগিনিং অব কনভেন্সেশনে আমরা এটা যাচাই-বাছাই করছি, যার কারণে আমরা এমনভাবে মুভ নিচ্ছি। আমরা মনে করি, ইউএসের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমরা এ বিষয় নিয়ে এমন একটা সলিউশনে যাব, যাতে দু’পক্ষের জন্য উইন উইন হয়। আমরা আশাবাদী, যা হবে তা দু’পক্ষের জন্য মঙ্গলজনক হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ