জাতীয় জাদুঘর (মূল মিলনায়তন)
‘তান্ত্রিক ড্যান্স’, নেপাল (সকাল ১০টা ৩০ মিনিট), ‘ব্যাক টু লাভ’, চীন (বেলা ১টা), ‘দ্য লাস্ট পোস্টম্যান’ (বেলা ৩টা), ‘দ্য ল্যান্ড হয়ার উইন্ড স্টুড স্টিল’, কাজাখস্তান (৫টা), ‘শরতের জবা’, বাংলাদেশ (সন্ধ্যা ৭টা)।

জাতীয় জাদুঘর (সুফিয়া কামাল মিলনায়তন)
‘নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়’, বাংলাদেশ (সকাল ১০টা ৩০ মিনিট), ৪০০ ‘ক্যাসেটার্স’, গ্রিস ও ‘দ্য এলিয়েন’, রাশিয়া (বেলা ৩টা), ‘ইন্দেরা’, মালয়েশিয়া (বিকেল ৫টা), ‘হয়ার দ্য কিডস হ্যাভ নো নেম’, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস (সন্ধ্যা ৭টা)।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তন)
‘হাই, মম’, চীন (সকাল ১০টা ৩০ মিনিট), ‘মাম্মালিয়া’, জার্মানি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া (বেলা ১টা), ‘গন উইথ দ্য বোট’, চীন (বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট)।

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকা
‘ডিল অ্যাট দ্য বর্ডার’, কিরগিজস্তান (সকাল ১০টা ৩০ মিনিট), ‘সানডে’, উজবেকিস্তান (বেলা ২টা ৩০ মিনিট), ‘১০০ ইয়ার্ডস’, চীন (বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট)।

আরও পড়ুনঢাকা চলচ্চিত্র উৎসবে আজ দেখা যাবে যেসব ছবি১৩ জানুয়ারি ২০২৫

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন
‘বেলাইন’, ভারত (সকাল ১০টা ৩০ মিনিট), ‘গডস্প্রেড’, চীন (বেলা ১টা), ‘ব্যারেন’, ইরান (বেলা ৩টা), ‘প্ল্যানটাডাস’, যুক্তরাষ্ট্র (বিকেল ৫টা)।

গ্রিন বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন
‘বেলাইন’, ভারত (সকাল ১০টা ৩০ মিনিট), ‘গডস্প্রেড’, চীন (বেলা ১টা), ‘পারফরমিং কাওরুস ফিউনারেল’, জাপান (বেলা ৩টা), ‘প্ল্যানটাডাস’, যুক্তরাষ্ট্র (বিকেল ৫টা)

.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

ঈদের দিনটা কেটে যায় কাজে, নিজের জন্য আর কিছুই থাকে না

জীবনের পড়ন্তবেলায় এসে ঈদের উৎসবকে যখন রোমন্থন করি, তখন স্মৃতির গভীরে হারিয়ে যাই। ছোটবেলায় ঈদ ছিল এক অন্য রকম আনন্দের উৎসব। নতুন জামা বানাতে দরজির দোকানে মাপ দিতে যাওয়া, তারপর নতুন জামা হাতে পাওয়ার পর সেটি লুকিয়ে রাখা, যেন কেউ আগে দেখে না ফেলে! ঈদের দিন সইদের সঙ্গে গ্রামে ঘুরে বেড়ানো, ভাই–বোনদের সঙ্গে স্টুডিওতে ছবি তুলতে যাওয়া—এসব আনন্দের মুহূর্ত আজও হৃদয়ে জাগরূক। মনে হয়, সময় যেন আটকে গেছে, আমি এখনো সেই শৈশব–কৈশোরের রঙিন দিনগুলোর মধ্যেই আছি। কিন্তু যখন বাস্তবতায় ফিরি, তখন সবকিছু বিমূর্ত হয়ে যায়, ধূসর ও বিবর্ণ মনে হয়। মনের অজান্তেই চোখের কোণে জল এসে জমে।

আমাদের ছোটবেলার ঈদ আজকের মতো জৌলুশময় ছিল না। মধ্যবিত্ত যৌথ পরিবারে ছিল আর্থিক টানাপোড়েন, ছিল পরিমিত জীবনের শিক্ষা। দাদা–দাদার ভাইদের বিশাল পরিবারের সদস্যদের জন্য রান্না হতো বড় বড় পাতিলে। ঈদের এক সপ্তাহ আগেই শুরু হতো প্রস্তুতি। পুরোনো শাড়ির পাড় জোড়া লাগিয়ে দরজা–জানালার পর্দা বানানো হতো, সোডা দিয়ে কাপড় ধোয়ার আয়োজন চলত। মুড়ি, চিড়া ও খই সংগ্রহ করে রাখা হতো ঈদের সকালে মলিদা তৈরির জন্য। ময়দার সঙ্গে রং মিশিয়ে কাঁঠালপাতায় গোলা লেপে শুকিয়ে বানানো হতো পিঠা। এত কাজ, এত পরিশ্রমের মধ্যেও ক্লান্তি ছিল না; বরং ঈদের প্রস্তুতিই ছিল এক অন্য রকম আনন্দ।

ঈদের দিন ভোরে সাবান দিয়ে গোসল করে নতুন ছাপা থান কাপড়ের ফ্রক পরার আনন্দ আজও মনে পড়ে। তারপর পরিবারের মুরব্বিদের সালাম করে বয়সভেদে চার আনা থেকে এক টাকা পর্যন্ত ঈদের সালামি পাওয়া ছিল আমাদের কাছে বিরাট প্রাপ্তি! ঈদের সকালের শুরু হতো মলিদা দিয়ে, এরপর গুড়ের পায়েস কিংবা গুড়ের সেমাই। দুপুরের খাবারে থাকত মুরগির মাংস আর আলুর ঝোল, যার স্বাদ আজও স্মৃতির পাতায় অমলিন।

তারুণ্যে পা রাখার পর ঈদের উৎসব বদলে গেল। বরিশালে পড়াশোনার সময় ঈদ পায় নতুন রূপ—সেমাই, ফিরনি, জর্দা, পোলাও–কোরমার ভিড়ে ঈদ যেন ভোজন উৎসবে পরিণত হলো। এরপর কর্মজীবন, বিয়ে ও সংসারের দায়িত্ব এসে ঈদের রং পাল্টে দিল। নারীদের জন্য ঈদ মানে তখন শুধুই স্বামী–সন্তান ও সংসারের তাগিদ।

আজকের ঈদ আর আমাদের শৈশবের ঈদের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান। একসময় ঈদ মানে ছিল সীমিত সম্পদের মধ্যেও অপরিসীম আনন্দ। এখন ঈদের বাহারি আয়োজন, নতুন কাপড়–গয়না, খাবারের জৌলুশ বেড়েছে; কিন্তু সেই আনন্দ কোথায় যেন হারিয়ে গেছে! আগে একটা সাধারণ ফ্রকেই যে আনন্দ লুকিয়ে ছিল, এখন অসংখ্য পোশাকের মধ্যেও তা খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণ, নারীদের ঈদ শুরু হয় গভীর রাতে—ফিরনি, সেমাই, হালিম, জর্দা, চটপটিসহ বাহারি রান্নার আয়োজন করে। সকালে রান্নার কাজ শেষ হতেই দুপুরের ও রাতের খাবারের প্রস্তুতি নিতে হয়। ফলে ঈদের দিনটাই কেটে যায় কাজে, নিজের জন্য কিছুই আর থাকে না।

অধ্যাপক শাহ্ সাজেদা

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • রান্না-খাওয়া পর্ব ভিন্ন আঙ্গিকে চিন্তা করলে নারীরাও আনন্দ করতে পারবেন
  • উৎসবে হজমের সমস্যা এড়াতে যা করবেন
  • ছোটবেলার ঈদ ঝামেলাবিহীন, সহজ-সরল ছিল: নুসরাত ফারিয়া
  • দল বেঁধে বেড়ানোর যে উৎসব ছিল, তা আর নেই, কী কঠিন বড় হওয়াটা
  • উৎসবে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও হতাশা কাটাতে করণীয়
  • আগামী বছর থেকে আরও বড় পরিসরে ঈদ আয়োজন করা হবে: আসিফ মাহমুদ
  • একটা জিনিস বুঝেছি, বাবা-মা ছাড়া ঈদ করা কঠিন: ন্যান্সি
  • সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি
  • ঈদে সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি
  • ঈদের দিনটা কেটে যায় কাজে, নিজের জন্য আর কিছুই থাকে না