বাকৃবিতে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ২৭ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
Published: 13th, January 2025 GMT
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) র্যাগিংয়ের ঘটনায় ২৭ শিক্ষার্থীকে ১ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জানুয়ারী) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা ২৭ শিক্ষার্থীর বহিষ্কার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ অনুযায়ী হলে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে সম্পৃক্ত থাকায় তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে হলের লেভেল-১ এর সেমিস্টার-২, লেভেল-২ এর সেমিস্টার-২ এবং মাস্টার্সের একজন শিক্ষার্থী রয়েছে।”
এ বিষয়ে বাকৃবি সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.
তিনি বলেন, “সোহরাওয়ার্দী হলের ২৭ জনকে হল থেকে ১ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। যারা এ হলের ছাত্র না, কিন্তু অবৈধভাবে থাকে এবং এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।”
প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা বলেন, “র্যাগিংয়ের ঘটনায় হল থেকে ২৭ শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য বহিস্কার করা হয়েছে। তবে আপাতত তাদের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে না। এ নিয়ে তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে অধিকতর শাস্তির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে পাঠানো হবে।”
গত শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ডেকে ২০ জন নবীন শিক্ষার্থীকে ‘নিয়ম’ শেখানোর নামে মানসিক নির্যাতন ও গালিগালাজ করা হয়। রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ‘গেস্টরুম’ কার্যক্রম শেষ হয়।
এমন মানসিক চাপ ও অপমানজনক পরিস্থিতিতে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী মাথা ঘুরে পড়ে যান। পরে তাকে হলের মধ্যেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনা জানাজানি হলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
ঢাকা/মাহমুদুল/মেহেদী
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
কালশী ফ্লাইওভারে প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, ২ তরুণ নিহত
রাজধানীর পল্লবীর কালশী ফ্লাইওভারে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই তরুণ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তাদের মধ্যে একজন ফ্লাইওভার থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, গুরুতর আহত দুজনকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তারা মারা গেছেন কি-না পুলিশ এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি।
প্রত্যক্ষদর্শী প্রাইভেটকারচালক আহসান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন দুই তরুণ। একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর মোটরসাইকেলের পেছনে বসা তরুণ ফ্লাইওভার থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান। আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলটি চুরমার যায়। আহত চালক ফ্লাইওভারে পড়েছিলেন। তার অবস্থাও ছিল আশঙ্কাজনক। সংঘর্ষের পর গাড়িটি ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে ধাক্কা লেগে দুমড়েমুচড়ে গেছে।
নাইম মাহমুদ নামে আরেক প্রত্যক্ষদর্শী ফেসবুকে প্রায় একইরকম বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে বারবার কল দেওয়া হয়। তবে তারা সাড়া দিতে অনেক দেরি করে। পরে কিছু লোক পল্লবী থানায় যায়। তবে ততক্ষণে থানা পুলিশ রওনা হয়ে গিয়েছিল।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, নিহত দুই তরুণের বয়স আনুমানিক ২০ বছর।