হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.)-এর বরাতে এ হাদিসের বর্ণনা আছে।

(তিনি বলেন,) একবার আমি আনসারদের এক মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় আবু মুসা হঠাৎ ভীত–সন্ত্রস্ত হয়ে এসে বললেন, ‘আমি তিনবার উমর (রা)–এর কাছে অনুমতি চাইলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেওয়া হলো না। তাই আমি ফিরে এলাম।’

উমর (রা.) তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমাকে (ঘরের) ভেতরে প্রবেশ করতে কিসে বাধা দিল?’

আরও পড়ুনএক বুদ্ধিমান বালকের ঘটনা১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আমি বললাম, ‘আমি প্রবেশের জন্য তিনবার অনুমতি চেয়েছি, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাই আমি ফিরে এসেছি। (কারণ) রাসুলুল্লাহ (সা.

) বলেছেন, যদি তোমাদের কেউ তিনবার প্রবেশের অনুমতি চায়; কিন্তু তারপরও অনুমতি দেওয়া না হয়, তবে সে যেন ফিরে যায়।’

তখন উমর (রা.) বললেন, ‘আল্লাহর কসম! তোমাকে এ কথাটিকে অবশ্যই প্রমাণ দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’ তিনি সবাইকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ কি আছ যে নবী (সা.) কাছ থেকে এ হাদিস শুনেছে?’

তখন উবাই ইবনু কাব (রা.) বললেন, ‘আল্লাহর কসম! আপনার কাছে প্রমাণ দিতে দলের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তিই উঠে দাঁড়াবে।’

আমি ছিলাম দলের সর্বকনিষ্ঠ। তাই আমি তাঁর সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে বললাম, ‘নবী (সা.) অবশ্যই এ কথা বলেছেন।’

মুসলিম, হাদিস: ২০৬২

আরও পড়ুনযেকোনো সময় এই দোয়া করা যায়১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা

প্রথম লেগে রোমাঞ্চকর এক লড়াই উপহার দিয়েছিল বার্সেলোনা ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। তবে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে খুব একটা জমেনি লড়াই। ফেরান তোরেসের কল্যাণে প্রথম আধা ঘন্টায় পাওয়া গোল বাকি সময়ে আগলে রাখল বার্সেলোনা। তাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে তিন মৌসুম পর কোপা দেল রের ফাইনালে উঠল কাতালান দলটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনার অপরাজেয় যাত্রা পৌঁছে গেল টানা ২১ ম্যাচে। লা লিগার শীর্ষে থাকা দলটি এই বছরে এখনও কোনো ম্যাচ হারেনি।

বুধবার রাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ ব্যবধানের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বার্সা। আগামী ২৬ এপ্রিলের শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম স্পেনের দ্বিতীয় সেরা প্রতিযোগিতাটির ফাইনালে দেখা যাবে এল-ক্লাসিকো মহারণ।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। লামিন ইয়ামাল ও মার্কোস ইয়োরেন্তে দুই প্রান্ত দিয়ে চাপ তৈরি করছিলেন। তবে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। মিডফিল্ডে পেদ্রি ও ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ছন্দময় ফুটবল খেলছিলেন, সঙ্গে ফেরমিন লোপেজও আক্রমণে ছিলেন কার্যকর।  

প্রথমার্ধে লামিন ইয়ামালের পাস থেকে বল পেয়ে ফেরান তোরেস গোল করে বার্সাকে এগিয়ে নেন। অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসোকে পরাস্ত করে দলকে লিড এনে দেন তিনি। এরপর রাফিনহা একাধিক সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ আক্রমণ বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু পরিবর্তন আনে। গ্রিজমানের শট পোস্টের বাইরে চলে যায়, আর আলেক্সান্দার সরলথ সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। বার্সেলোনা এরপর রক্ষণ সামলে খেলতে শুরু করে এবং প্রতিপক্ষকে গোলের সুযোগ দিতে চায়নি।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সরলথ গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। অ্যাটলেটিকো শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেও সমতা ফেরাতে পারেনি, বার্সেলোনা তাদের লিড ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ