সোনাক্ষী সিনহাকে সচরাচর মাথা গরম করতে দেখা যায় না। পাপারাৎজিদের সঙ্গেও তার সম্পর্ক খুবই ভাল। তবে এবার মেজাজ হারালেন অভিনেত্রী। এক ক্যামেরাপার্সনের কাজ দেখে কড়া ভাষায় কথা বললেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি নেট দুনিয়ায় সোনাক্ষীর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মুম্বাইয়ের একটি অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে প্রবেশ করছেন অভিনেত্রী। অনুষ্ঠানে সোনাক্ষীর সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী জহির ইকবালও। তখনই এক ক্যামেরাপার্সন অভিনেত্রীকে অনুসরণ করতে শুরু করেন। শুরু হয় একের পর এক ছবি তোলা।

প্রথমে সোনাক্ষী হাসি মুখেই হাঁটছিলেন। কিন্তু শেষে মেজাজ হারান। ছবি শিকারির উদ্দেশে তাকে ওই ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, ‘এ বার আপনি থামুন! অনেক হয়েছে।’ তার পরেই ওই ছবিশিকারির উদ্দেশে হাত জোর করে অনুরোধ করতে থাকেন অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর আচরণ দেখে ছবিশিকারিরা প্রত্যেকেই তার থেকে দূরে সরে যান।

গত বছর জুন মাসে জহিরের সঙ্গে বিয়ে সেরে তাদের সম্পর্কে সিলমোহর দেন সোনাক্ষী। তার আগে তারা প্রায় সাত বছর সম্পর্কে ছিলেন। গত বছর ‘কাকুড়া’ ছবিতে সোনাক্ষীকে দর্শক দেখেছেন।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

বগুড়া‌র মি‌নি জাফলং‌য়ে গোসল কর‌তে গি‌য়ে শিশুর মৃত্যু

বগুড়ার শেরপুরে মিনি জাফলং নামে পরিচিত বাঙালি নদীতে গোসল করতে গিয়ে সাদাত হোসেন (১২) নামে এক শিশু প্রাণ হারিয়েছে।  

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে সুঘাট ইউনিয়নের জোড়গাছা ব্রিজের নিচে বাঙালি নদীতে স্রোতের সাথে ভেসে শিশুটি ডুবে যায়। 

সাদাত হোসেন ধনুট উপজেলার বিল চাপরি গ্রামের ইকবাল হোসেনের ছেলে।

সাদাতের নানা মোখলেসুর রহমান জানান,  ঈদে শিশুটি আমার বাড়ি সুত্রাপুর বেড়াতে আসে।  আজ (শুক্রবার) সকালেই সে মিনি জাফলং নামে পরিচিত বাঙালি নদীতে অন্যান্য শিশুদের সাথে গোসল করতে যায়। এ সময় পা পিছলে পড়ে পানির স্রোতে ভেসে নদীর গভীরে ডুবে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর বখতিয়ার উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটি উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

ঢাকা/এনাম/টিপু

সম্পর্কিত নিবন্ধ