রাজশাহী থেকে সৈয়দপুরগামী তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় বন্ধ থাকা ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

এর আগে আজ ভোর ৬টার দিকে রাজশাহীর সারদা স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় সৈয়দপুরগামী তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ফলে সারাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের চিফ অপারেটিং অফিসার আহসান উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। উদ্ধার কাজ শেষে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লাইন থেকে ট্রেনটি সরিয়ে ফেলা হয়। পরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

তিনি আরও বলেন, লাইনচ্যুতির ফলে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সকাল ৬টা ৪০ মিনিটের ট্রেন মধুমতি এক্সপ্রেস, সকাল ৭টার বিরতিহীন ট্রেন বনলতা এবং সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের ট্রেন সিল্কসিটি স্টেশনে আটকা পড়ে। সিঙ্গেল লাইন থাকায় উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

মা-বাবার সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় মা-বাবার সঙ্গে গোসল করতে নেমে মালিহা (৮) নামের এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুর ১টার দিকে নানা বাড়িতে জম্বদ্বীপ খালে গোসল করতে নেমে সে নিখোঁজ হয়।

মালিহা ওই গ্রামের মৃত বাদশা খানের নাতি ও মৎস্যজীবী মো. রাসেলের মেয়ে। সে স্থানীয় জম্বদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। 

জানা যায়, বুধবার দুপুর ১টার দিকে নানা বাড়ির সামনে জম্বদ্বীপ খালে গোসল করতে নামলে জোয়ারের স্রোতে তলিয়ে যায় মালিহা। এ সময় বাবা-মা ও দুই খালা তাকে উদ্ধারে খালে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে অভিযান শুরু করলেও তার কোনো সন্ধান পায়নি।

বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ষ্টেশনের লিডার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, স্কুলছাত্রীর খালে ডুবে যাওয়ার খবর পেয়ে বরিশালে ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। তারা এসে কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা করেও নিখোঁজ শিশুর কোনো সন্ধান পায়নি। সন্ধ্যা নদী লাগোয় ওই শাখা খালে তীব্র স্রোতের কারণে শিশুটি ভেসে যেতে পারে বলেও তার ধারণা।

সম্পর্কিত নিবন্ধ