Risingbd:
2025-04-03@05:05:25 GMT

হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস আজ

Published: 13th, January 2025 GMT

হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস আজ

আজ ১৩ জানুয়ারি। দিনাজপুরের হিলি রেলওয়ে স্টেশনের ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস। ৩০ বছর আগে ১৯৯৫ সালের এই দিনে হিলি রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও দুই শতাধিক মানুষ আহত হন। দিনটি উপলক্ষে হিলিবাসী তখন থেকেই ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস পালন করে আসছেন।

হিলি রেলওয়ে স্টেশন কার্যালয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত সোয়া ৯টার দিকে হিলি রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল গোয়ালন্দ থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী লোকাল একটি ট্রেন। এ সময় বিপরীত দিক সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

দুর্ঘটনায় বিকট শব্দে দুমড়ে-মুচড়ে যায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি। পরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন ও স্থানীয়রা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন। ভয়াবহ এ ট্রেন দুর্ঘটনায় সরকারিভাবে মৃতের সংখ্যা ২৭ বলা হলেও স্থানীয়দের দাবি, ওই ঘটনায় অন্তত শতাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

আরো পড়ুন:

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত কিশোরের মৃত্যু 

সাভারে চার জন নিহতের ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স ও বাসের চালক গ্রেপ্তার

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ঘোষণা দেন নিহত ও আহতদের আর্থিক ক্ষতিপূরণের। এর মধ্যে, অনেকে এখনো ক্ষতিপূরণ পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

হাকিমপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, ‘‘সেদিনের কথা মনে পড়লে আজও শরীর শিউরে উঠে। সেই রাতে হিলি বাজার প্রেস ক্লাবে বসেছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পাই। এত বিকট শব্দ ছিল, যে আমরা স্থির করতে পারছিলাম না কোথায় কী হচ্ছে। ছুটে যাই রেলস্টেশনের দিকে।’’

‘‘গিয়ে দেখি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। শত শত মানুষের আহাজারি। ক্ষত-বিক্ষত মানুষের দেহের বিভিন্ন অংশ পড়ে আছে। আহতরা বাঁচার জন্য আহাজারি করছে, অনেকের শরীর ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বুঝে উঠতে পারছিলাম না, কী করা উচিত। অবশেষে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে হিলি হাসপাতালে নিয়ে যাই।’’- যোগ করেন তিনি।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমার জীবনে এর আগে এত লাশ কখনো একসঙ্গে দেখিনি। সে দিনের ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা আজও হিলির মানুষকে আতঙ্কে রাখে।’’

হিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলু বলেন, ‘‘প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও হিলি রেলস্টেশন প্লাটফর্মে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া হবে। পাশাপাশি আলোচনা সভা ও কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।’’

ঢাকা/মোসলেম/রাজীব

.

উৎস: Risingbd

এছাড়াও পড়ুন:

বিদ্যুতের খুঁটিতে বাসের ধাক্কা, প্রাণ গেল ৩ জনের

কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা লেগে দুমড়ে মুচড়ে গেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন। আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা পালকি সিনেমা হলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুমিল্লাগামী তিশা প্লাস নামের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা পল্লি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে বাসটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। এ সময় নারী শিশুসহ আহত হন আরও অন্তত ৩০ জন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে চান্দিনা, কুমিল্লা ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়। 

চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আরিফুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। গুরুতর আহতদের কুমিল্লা ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।  

ইলিয়েটগঞ্জ হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম বলেন, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করার করার পাশাপাশি আমরা আহতদের চিকিৎসার বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছি। এছাড়াও সড়কে যেন কোনো যানজট না হয়; সেজন্য রেকার দিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক আছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ট্রেনের ছাদে ভিডিও করছিলেন চার যুবক, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল ২ জনের
  • চলন্ত ট্রেনের ছাদে করছিলেন টিকটকের ভিডিও, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল ২ জনের
  • চলন্ত ট্রেনের ছাদে করছিলেন টিকটক, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল ২ জনের
  • চলন্ত ট্রেনের ছাদে টিকটক করার সময় ছিটকে পড়ে নিহত ২
  • একই স্থানে টানা তিন দিন দুর্ঘটনা, আজ বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ১০ জনের
  • একই স্থানে টানা তিন দিন দুর্ঘটনা, আজ বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৮ জনের
  • একই স্থানে টানা তিন দিন দুর্ঘটনা, আজ বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৭ জনের
  • জমি নিয়ে বিরোধ, চাটমোহরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৩০
  • মিয়ানমারে ভূমিকম্পে আহতদের জন্য রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ সহায়তা
  • বিদ্যুতের খুঁটিতে বাসের ধাক্কা, প্রাণ গেল ৩ জনের