যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রণ নিয়ে বিভ্রান্তি, বিএনপির দুঃখ প্রকাশ
Published: 13th, January 2025 GMT
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তিন নেতার আমন্ত্রণ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
রবিবার (১২ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এ নিয়ে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়।
বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “৬ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘জাতীয় প্রার্থনা প্রাতরাশ’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আমন্ত্রণ সম্পর্কে কিছু সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে, বিএনপি মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে আমরা জানাতে চাই যে, অনুষ্ঠানটি মার্কিন সরকার আয়োজন করে না। জাতীয় প্রার্থনা প্রাতরাশ ১৯৫৩ সাল থেকে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এবং এতে মার্কিন রাষ্ট্রপতি, সিনেটর, কংগ্রেস সদস্য, ব্যবসায়ী এবং ১০০টিরও বেশি দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি ‘জাতীয় প্রার্থনা প্রাতরাশ ফাউন্ডেশন’ আয়োজন করে থাকে; যা একটি নির্দলীয় সংস্থা এবং রাজনৈতিক, সামাজিক এবং ব্যবসায়িক অভিজাতদের একত্র হওয়ার, দেখা করার, আলোচনা করার এবং একসঙ্গে প্রার্থনা করার জন্য একটি বিশেষ ফোরাম। এই ফাউন্ডেশন মার্কিন নীতিনির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশ্ব শান্তি ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত।”
আরও পড়ুন: ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে তারেক রহমানকে ট্রাম্পের আমন্ত্রণ
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “জাতীয় প্রার্থনা প্রাতরাশের পক্ষ থেকে, অনুষ্ঠানের সহসভাপতি, কংগ্রেস সদস্য বেন ক্লাইন (রিপাবলিকান) এবং কংগ্রেস সদস্য থমাস আর.
গত ১১ জানুয়ারি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট অনুষ্ঠানে মার্কিন নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এরপর ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ন্যাশনাল প্লেয়ার ব্রেকফাস্ট অনুষ্ঠানের আয়োজনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই। ফলে বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।
ঢাকা/ইভা
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
বন্দরে গণমাধ্যম কর্মীকে কুপিয়ে জখম, বিএনপি অফিস ভাংচুর
বন্দরে জাহাজের পুরাতন গরদা জোর পূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার কাজে বাধা দেওয়ার জের ধরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক রাসেল ইসলাম জীবন (৪৩) কে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ফেসিস্ট দোসর সাদা জাহাঙ্গীরসহ তার সন্ত্রাসী বিরুদ্ধে।
ওই সময় হামলাকারিরা ফেসিস্টরা স্থানীয় বিএনপি অফিসে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে আহতের কাছ থেকে নগদ ১৫ হাজার টাকা ও ক্যাশবাক্স থেকে নগদ ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। আহত গনমাধ্যম কর্মী রাসেল ইসলাম জীবন বন্দর থানার ২০ নং ওয়ার্ডের মাহমুদনগর এলাকার মৃত নাজির সরদারের ছেলে।
স্থানীয় এলাকাবাসী আহতকে মারাত্মক জখম অবস্থায় উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে প্রেরণ করে। সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দর থানার মাহমুদনগর এলাকায় এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ঘটে।
এ ব্যাপারে আহত গনমাধ্যমকর্মী বড় ভাই গরদা ব্যবসায়ী নাদিম মাহামুদ বাদী হয়ে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার ওই দিন দুপুরে ফেসিস্ট দোসর সাদা জাহাঙ্গীর, আলমগীর, সাইফুল, আকিব, আয়াতসহ অজ্ঞাত নামা ৫/৭ জনকে আসামী করে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ ও বাদীর তথ্য সূত্রে জানাগেছে, বন্দর থানার মাহমুদনগর এলাকার মৃত আজগর আলী মিয়ার ছেলে ফেসিস্ট সরকারের দোসর জাহাঙ্গীর ওরফে সাদা জাহাঙ্গীর অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে মাহমুদনগর এলাকাবাসী।
গত রোববার (৩০ মার্চ) আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গীর ওরফে সাদা জাহাঙ্গীর ও তার ভাই আলমগীর একই এলাকার সাজু মিয়ার ছেলে সাইফুল, আলমগীর মিয়ার ছেলে আকিব ও শওকত মিয়ার ছেলে আয়াতসহ ৫/৭ জন সন্ত্রাসী অভিযোগের বাদী ভাঙ্গারী ব্যবসা নাদিম মাহমুদ এর দোকান থেকে জোর পূর্বক পুরাতন জাহাজের গরদা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
ওই সময় ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী ছোট ভাই গণমাধ্যম কর্মী রাসেল ইসলাম জীবন বাধা প্রদান করলে এ নিয়ে তাদের মধ্য বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার জের ধরে সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় ফেসিস্ট দোসর সাদা জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উল্লেখিত ভাঙ্গারী দোকানে অর্তকিত হামলা চালায়।
ওই সময় হামলাকারিরা গণমাধ্যম কর্মীকে হত্যার উদ্দেশ্য ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক কাটা ও হাড় ভাঙ্গা জখম করে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে হামলাকারিরা ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপি একটি কার্যালয়ে অনাধিকার ভাবে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় মাহমুদনগর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।