রাজশাহীতে গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে একটি রিভলবার এবং ৫০টি গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে নগরের রাজপাড়া থানার শ্রীরামপুরে পদ্মা নদীর ভাঙ্গাপাড়া ঘাট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় রিভলবার ও গুলি পড়েছিল। খবর পেয়ে রাজপাড়া পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে।

আজ রোববার সন্ধ্যায় মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) সাবিনা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, থানা থেকে লুট হওয়ার ১৬৪ অস্ত্রের মধ্যে পুলিশ এখন পর্যন্ত ১৪৭টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে। বাকি অস্ত্রগুলো উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকার পতনের সময় থানায় হামলা হয়। এ সময় রাজশাহী মহানগর পুলিশের বেশ কয়েকটি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট হয়। এ সময় থানা থেকে দুর্বৃত্তরা ১৬৪টি অস্ত্র লুট করে। উদ্ধার হওয়া রিভলবার ও গুলি পরীক্ষা করে দেখতে পাওয়া গেছে এটি ব্যক্তিগত অস্ত্র। এটি রাজপাড়া থানার অস্ত্রাগারে অস্ত্রের মালিক জমা রেখেছিলেন। গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় দুর্বৃত্তরা এটি অস্ত্রাগার থেকে লুট করে।

.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মুত্যু 

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইয়াসিন আলী (২৪) ও মাহির তাজয়ার তাজ (১৫) নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

বুধবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে একটি ও গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মাহির তাজওয়ার তাজ আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে ও ইয়াসিন আলী  চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের দিদার আলীর ছেলে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদুর রহমান, জানান, অসাবধানতা ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল ড্রাইভ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ গুরুতর আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রাতে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মাহির মারা যায়। 

অন্যদিকে গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে পড়ে যায়।  এসময় তার দুই পা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুঁড়িয়ে যায়। তাকে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ দিনের মাথায় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ইয়াসিন মারা যায়। 

দুটি দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের না করায় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্ব স্ব পরিবারের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। 

ঢাকা/মামুন/টিপু 

সম্পর্কিত নিবন্ধ