মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘বিপজ্জনক ও তীব্র’ বাতাসের কারণে লস অ্যাঞ্জেলেসের আবাসিক এলাকাগুলোতে দাবানল আরো ছড়িয়ে পড়তে পারে। অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা এই মুহূর্তে আগুন নেভাতে লড়াই করছেন। রবিবার বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

লস অ্যাঞ্জেলসজুড়ে ছড়িয়ে পড়া আগুনে কমপক্ষে ১৬ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। দাবানালের কারণে পুরো এলাকা ছাই হয়ে গেছে এবং লাখ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির প্রধান ডিন ক্রিসওয়েল সিএনএনকে বলেছেন, “বাতাস আবারও বিপজ্জনক এবং শক্তিশালী হয়ে উঠছে। মানুষের জানা প্রয়োজন সবচেয়ে বড় বিষয় হলো এটি এখনও বিপজ্জনক।”

স্থানীয় সময় রবিবার ভোরে বাতাস ঘন্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। এটি আগামী কয়েকদিন ধরে দাবানলকে আরো তীব্র করে তুলতে পারে।

জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা জানিয়েছে, রবিবারের বিকেলের দিকে বাতাসের গতিবেগ কমতে পারে এবং রাতের মধ্যে আবার গতি ফিরে আসবে।

লস অ্যাঞ্জেলসের প্যালিসেডসের আগুন ২৩ হাজার ৬০০ একর জমি এবং ইটনের আগুন ১৪ হাজার একর জমি পুড়িয়ে দিয়েছে।

সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১২ হাজারেরও বেশি অবকাঠামো পুড়ে গেছে।

ঢাকা/শাহেদ

.

উৎস: Risingbd

এছাড়াও পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানের আশা  

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে চলমান আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। 

প্রেস সচিব জানান, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্রুত শুল্কহার যৌক্তিক করার বিভিন্ন বিকল্প খুঁজে বের করবে, যা এই বিষয়টি সমাধানে অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরো লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমাদের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একযোগে কাজ করে আসছি। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশা করছি।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ ধার্য করেন। আগে দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কের হার ছিলো গড়ে ১৫ শতাংশ। অতিরিক্ত শুল্কের কারণে দেশের রপ্তানি বাজারে বিশেষ করে পোশাক খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ২৯ শতাংশ শুল্ক। চীনা পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ শুল্ক।

এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ আরোপ করা হয়েছে।

ঢাকা/ইভা 

সম্পর্কিত নিবন্ধ