বর্ধিত ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে জামায়াতে ইসলামী। রোববার দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

শতাধিক পণ্য ও সেবায় শুল্ক এবং ভ্যাট বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার দুটি পৃথক অধ্যাদেশ জারি করে সরকার।

বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, আরোপিত শুল্কের কারণে দৈনন্দিন জীবনযাপনের খরচ আরও এক দফা বাড়বে। নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলছে। মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারেনি। মানুষের সংসার খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। শতাধিক পণ্যের ওপর আরোপিত ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধিতে জনগণের মধ্যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন হয়, কর বৃদ্ধিতে সরকারের বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর যাতে নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে। কিন্তু সরকার এতে নজর রাখেনি বলে প্রতীয়মান হয়েছে। জীবনযাত্রায় বাড়তি চাপ যাতে তৈরি না হয়, সেজন্য অবিলম্বে শতাধিক পণ্যের ওপর আরোপিত ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
 

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

ঈদ আনন্দমিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীর ঘটনায় ‘মর্মাহত’ জামায়াতে ইসলামী

সরকারি তত্ত্বাবধানে ঢাকায় ঈদ আনন্দমিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীর ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি ঈদ মিছিলে মূর্তি সদৃশ প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এ ঘটনা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা ও ঈদের পবিত্রতার পরিপন্থী।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার গত বুধবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি ইঙ্গিত করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে সাধারণ মানুষের মাঝে ঈদ নিয়ে আলাদা ধরনের উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল না। এবারের ঈদ সবার মধ্যেই যেন প্রকৃত ঈদ হয়ে ফিরে এসেছে। সরকারি উদ্যোগে সুলতানি আমলের মতো করে ঈদ উদ্‌যাপন আমাদের জীবনে আনন্দের নতুন মাত্রা তৈরি করেছে। কিন্তু ঢাকায় ঈদ মিছিলে মূর্তি সদৃশ প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।’

গোলাম পরওয়ার বলেন, ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি পবিত্র উৎসব। ইসলাম ধর্মে মূর্তি, প্রতিমা বা কোনো দৃশ্যমান অবয়বের মাধ্যমে ধর্মীয় আনন্দ প্রকাশের অনুমতি দেয় না। ইসলামের ইতিহাসে এমন কোনো দৃষ্টান্ত নেই, যেখানে রাসুল (সা.), সাহাবা বা পরবর্তী খলিফারা ঈদ উদ্‌যাপনে মূর্তি বা প্রতিমা বহন করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘ঈদ আমাদের ধর্মীয় আবেগের বিষয়। একে সাংস্কৃতিক পরীক্ষাগারে পরিণত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইসলামি ঐতিহ্যের বাইরে গিয়ে ঈদ আনন্দমিছিলকে ঘিরে সরকারি উদ্যোগে প্রতিমা সংস্কৃতি অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ ঘটনা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা ও ঈদের পবিত্রতার পরিপন্থী।’

বিবৃতিতে ঈদ আয়োজনে অপ্রয়োজনীয় এই বিতর্ক সৃষ্টিকারীদের বিষয়ে অনুসন্ধান করে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ঈদ আনন্দমিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীর ঘটনায় ‘মর্মাহত’ জামায়াতে ইসলামী